Blog

  • বিদেশ আসার পূর্বে কোন কাজ গুলো শিখে আসবেন এবং কোথায় শিখবেন

    আস্সালামুআলাইকুম,
    কি অবস্থা সবার? আসা করি সবাই ভালো আছেন। আমি হুমায়ন রাশিদ।আপনারা আমাকে অনেকে চিনেন হয়তো। না চিনলে দরকার নাই। শুধু মাত্র আর্টিকেল পড়েন। কিছু শিখে যান। তাহলেই হবে। যাই হোক, আমরা যারা দেশের বাহিরে পড়াশোনা করতে আসি, তাঁদের সবার টার্গেট থাকে পড়াশোনা এর পাশাপাশি একটা জব করা। কিন্তু জব কি এত সোজা, বলেন?

    জব পাইতে একটু সময় লাগেই। কিন্তু আপনি দেশ থেকেই যদি কোনো ডিজিটাল স্কিল শিখে বিদেশ আসেন তাহলে আপনি কিন্তু খুব সহজে ভালো একটা টাকা ইনকাম করতে পারবেন প্রথম অবস্থায়। আমি আজকের ব্লগে আলোচনা করবো আসলে বিদেশ পড়াশুনা করতে আসার আগে কোন স্কিল গুলো শিখে আসা উচিত। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    ডিজিটাল স্কিল কি?

    দেখেন স্কিল দুই প্রকার। নম্বর ওয়ান ফিজিক্যাল স্কিল এবং নম্বর টু ডিজিটাল স্কিল। ফিজিক্যাল স্কিল বলতে আমরা কি বুঝি? ফিজিক্যাল স্কিল বলতে আমরা বুঝি ওই সকল স্কিল যেই গুলা আসলে করতে আমাদের কায়িক পরিশ্রম করতে হয়। আর ডিজিটাল স্কিল হলো এমন সকল স্কিল যেই গুলা আমরা আমাদের ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার করে করতে হয়। আসা করি বুঝতে পেরেছেন।

    কোন কোন স্কিল গুলো শিখতে পারেন?

    • ডিজিটাল মার্কেটিং – ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি, যে কোনো জিনিস ডিজিটালি প্রমোট করা। এই সেক্টর টার ডিমান্ড দিনে দিনে অনেক বাড়ছে। আপনি চাইলে খুব সহজে এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর স্কিলটা শিখতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক মাইক্রো সেক্টর আছে যেমন Meta Marketing, Google Ads, YouTube Marketing ইত্যাদি। যে কোনো একটা ফোকাস করে আসতে আসতে শিখতে পারেন।
    • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট – ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মানে হলো ওয়েবসাইট তৈরী করা। আপনি চাইলে খুব সহজে WordPress শিখতে পারেন। একটু সময় লাগবে কিন্তু যদি একবার জিনিসটা শিখতে পারেন ডিমান্ড অনেক। আপনি আবার যে কোনো একটা ল্যাংগুয়েজ শিখতে পারেন। যেমন – HTML, CSS, Java, PHP, Laravel ইত্যাদি।
    • গ্রাফিক্স ডিজাইন – যদিও বা Canva আসার পর গ্রাফিক্স ডিজাইন মার্কেট খারাপ। কিন্তু তারপরও আপনি এই স্কিল টা শিখতে পারেন। অনলাইন এর পাশাপাশি আপনি অফলাইনেও ভালো কাজ পাবেন।
    • ব্লগিং – ব্লগিং হলো সব চাইতে স্মার্ট একটা কাজ বলে আমি মনে করি। আপনি যদি ব্লগিং শিখেন তা হলে আপনি এক ডিলে অনেক গুলো পাখি মারতে পারবেন। কারণ আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে আপনি কনটেন্ট রাইটিং টা শিখে যাবেন, ওয়েবসাইট তৈরী করাটা ও শিখে যাবেন এবং আপনি আপনার ব্লগে ট্রাফিক আনার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এবং SEO টাও শিখে যাবেন। আর একটা বিষয় বলি আপনি যদি আপনার ব্লগটাকে ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে পারেন তাহলে আপনি ব্লগিং এর পাশাপাশি Freelancing ও করতে পারবেন।
    • ভিডিও এডিটিং – ভিডিও এডিটিং একটা ক্রিয়েটিভ কাজ। আপনি এই স্কিলটা যদি একবার শিখেন তাহলে আপনি অনেক উপায়ে ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তু এই স্কিলটা শিক্ষার জন্য আপনাকে একটু ক্রিয়েটিভ হতে হবে।
    • SEO – SEO বা Search Engine Optimization মানে হলো আপনি কোনো ওয়েবসাইটকে Search Engine যেমন Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি এর জন্য অপটিমাইজ করবেন। যাতে করে ওই ওয়েবসাইট এ ট্রাফিক আসে। এটি অনেক ডিমান্ড এর একটি কাজ। শিখতে একটু সময় লাগবে কিন্তু ডিমান্ড অনেক।

    কি ভাবে শিখবেন

    কি ভাবে উপরে দেওয়া স্কিল গুলো শিখবেন। আসলে শিখতে চাইলে ২ টা রাস্তা আছে। ১ নম্বর রাস্তা হলো টাকা দিয়ে কোনো কোর্স করা এবং ২ নম্বর রাস্তা হলো YouTube থেকে শিক্ষা। আমি বলবো না আপনি টাকা দিয়ে কোর্স করেন। আপনি চাইলে YouTube এ অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন যে গুলো দেখে খুব সহজে আপনি এইস্কিল গুলো শিখতে পারবেন। আসা করি বুঝতে পেরেছেন।

    কি ভাবে ইনকাম করতে পারেন?

    এখন মূল কথাই আসি, আপনি এই সকল স্কিল শিক্ষার পর কি ভাবে ইনকাম করবেন।আসলে অনলাইন ইনকাম করার অনেক উপায় আছে। আপনি যখন একটা কাজ প্রপার ভাবে শিখবেন তখন অনেক রাস্তা আপনার চোখের সামনে আসবে। আপনাকে শুধু মাত্র সেই রাস্তা ঠিক করে কাজ করে যেতে হবে এবং অপেক্ষা করতে হবে। তারপরও আমি আপনাদের কয়েকটা রাস্তা নিয়ে নিচে আলোচনা করছি। আসা করি কাজে লাগবে।

    • অনলাইনে কাজ করে – আপনি চাইলে আপনার শিক্ষা স্কিল দিয়ে অনলাইন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করতে পারবেন। যেমন – Fiverr, Upwork, Freelancer.Com, গুরু ইত্যাদি।একটা কথা এখনই বলে রাখি, সময় দিতে হবে। সময় না দিলে কিন্তু হবে না।
    • অফ লাইনে কাজ করে – আপনি অনলাইন এর পাশাপাশি যদি চান অফলাইনে ও কাজ পাবেন। আমার এখন অনলাইন এর থেকে অফলাইনে ক্লায়েন্ট বেশি। এই জন্য আপনি স্কিলটা শিক্ষার পর একটা ভালো সিভি বানিয়ে বিভিন্ন কোম্পানিতে এপ্লাই করতে পারেন।
    • প্রজেক্টে কাজ করে – বিদেশে আপনি বিভিন্ন রকম প্রজেক্ট বেস কাজ পাবেন। যদি আপনার নেটওয়ার্ক ভালো হয় তাহলে আপনি খুব সহজে ওই সকল প্রজেক্ট এ কাজ করার সুযোগ পাবেন।

    আসা করি আপনারা যারা বিদেশ আসতে চাচ্ছেন বা আসছেন কিন্তু কোনো জব পাইতেছেন না তারা আমার আজকের এই লিখা পরে অনেক কিছু জানতে পারবেন। আপনি যদি দেশ থেকেই ঠিক মতো শিখে আসতে পারেন তাহলে আমি ১০০% কন্ফার্ম যে বিদেশ এসে চাকুরী এর জন্য চিন্তা করতে হবে না।

  • উচ্চ শিক্ষার জন্য দুবাই যা যা জানতে হবে

    আস্সালামুআলাইকুম,
    আমি হুমায়ন রাশিদ। আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। উচ্চ শিক্ষার জন্য দুবাই এখন অন্য রকম একটি দেশ। বিশেষ করে আমি যতটুকু বুঝলাম, আমরা সবাই যারা দুবাই বেছে নিতেছি তাঁদের সবারই একই প্ল্যান সেইটা হলো ক্রেডিট ট্রান্সফার করে ভালো কোনো দেশ যেমন আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ এর ভালো কোনো দেশ চলে যাওয়া। এর আমরা অনেক এই এডমিশন এর প্রসেসটা ঠিক মতো না জানার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ি। এজন্য আমি আজকের ব্লগে দুবাই এ এডমিশন নেওয়া থেকে শুরু করে একদম ভিসা পাবার মুহূর্ত পর্যন্ত কি কি করতে হয় সেই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করি নতুন দেন অনেক কাজে লাগবে। চলুন শুরু করা যাক।

    উচ্চ শিক্ষার জন্য দুবাই

    আপনি দুবাই তে যে কোনো ধরণের কোর্স করতে পারবেন। আমি বাংলাদেশ এর পরিবেশ এ যদি বলি, তাহলে আপনি ইন্টার শেষ করেই দুবাই তে আপনার জার্নি শুরু করতে পারেন। দুবাইতে কি কি কোর্স করা যায়।

    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • পি এস ডি
    • ডিপ্লোমা
    • শর্ট প্রফেশনাল কোর্স ইত্যাদি

    এ ছাড়াও আপনি চাইলে গুগল এ রিসার্চ করতে পারেন।

    দুবাই এ স্টুডেন্ট ভিসা করার নিয়ম:

    ইউনিভার্সিটি সিলেকশন

    কোর্স এর ধরণ টা সিলেক্ট করার পর আপনার প্রথম যে কাজ সেটি হলো ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করা। আমরা অনেকই এই কাজটি ঠিক মতো না করতে পাড়ার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ি। আপনি এই স্টেপ এ গুগল এ রিসার্চ করতে পারেন অথবা বাংলাদেশ এ অনেক কন্সালটেন্সি ফার্ম আছে, তাঁদের থেকে হেল্প নিতে পারেন। এর ভাই ইনফরমেশন নিতে কেউ টাকা নেয় না। আপনি চাইলে আমার Overseas পেজ এ গিয়ে Apply Now বাটনে ক্লিক করে সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে ফর্মটা ফিলাপ করে রাখতে পারেন। আমার টীম এর যে কেউ আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
    যাই হোক ধরে নিলাম আপনার ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করা শেষ এবং আপনি এখন সেই ইউনিভার্সিটি তে আপ্লাই করতে চান।

    ডকুমেন্টস

    এখন আসি ডকুমেন্টস এর বিষয় এ। আপনার এই পর্যন্ত যত গুলা সার্টিফিকেট আছে সব গুলা স্ক্যান করে রাখবেন। আমি নিচে সব গুলার লিস্ট দিয়ে দিতেসি, যদিও বা দুবাইতে স্টুডেন্ট ভিসা এর জন্য তেমন বেশি ডকুমেন্টস লাগে না।

    • পাসপোর্ট
    • পাসপোর্ট সাইজও ছবি
    • এসএসসি সার্টিফিকেট
    • এইচএসসি সার্টিফিকেট
    • অনার্স সার্টিফিকেট [কোর্স যদি মাস্টার্স হয়]

    নোট : দুবাই তে স্টুডেন্ট ভিসা এর জন্য ব্যাংক সলভেন্সি , IELTS লাগে না।

    ইউনিভার্সিটি এপ্লিকেশন

    আপনার সব কিচু রেডি, এখন আপনি ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করবেন। এই জন্য আপনি ইউনিভার্সিটি এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে নিজে ও এপ্লাই করতে পারেন অথবা আপনি বাংলাদেশ এর যে কোনো এজেন্সি এর কাছে থেকে সহযোগিতা নিতে পারেন। আর একটা কথা, দুবাই এর স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং করতে কোনো এজেন্সি কোনো চার্জ করে না। আপনার যা যা খরচ হবে সব কিছু আপনার অফার লেটার এ লিখা থাকবে।

    ভিসা আপ্লাই

    ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করার পর ৫০% বা এমন একটা এমাউন্ট জমা দিয়ে ভিসা এর জন্য এপ্লাই করবেন। ভিসা এর এপ্লাই করতে ১৫০০ ডলার লাগে। এপ্লাই করার ১৫ থেকে ২৪ দিনের ভিতর আপনার ভিসা চলে আসবে। এই পর্যন্ত দুবাইয়ে স্টুডেন্ট ভিসা এর কোনো রিজেকশন নাই।

    ফ্লাইট

    ভিসা পাইলেন, এখন আপনার যে কাজ সেইটা হলে ফ্লাইট এর টিকিট কাটা। আপনি চেষ্টা করবেন টিকিট ২০ দিন আগে কাটার। তা হলে আপনার খরচ ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার এর মধ্যে হয়ে যাবে।

    এই হলো পুরো বিষয়। খরচ এর বিষয় একটু কম বেশি হতে পারে। কিন্তু নিয়ম একই। আসা করি, বুঝতে পেরেছেন। দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কোনো কিছু জানার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন অথবা আপনি আমাকে WhatsApp এ মেসেজ করতে পারেন।

    দুবাই স্টুডেন্ট ভিসার ফুল প্রসেস

  • দুবাই থেকে ইতালি ভিসা পাওয়ার সহজ উপায়: স্টেপ বাই স্টেপ সম্পূর্ণ গাইড

    ইতালি ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য, যেখানে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ থেকে হাজারো মানুষ পড়াশোনা, চাকরি, বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করে। অনেকেই জানতে চান, “দুবাই থেকে ইতালি কিভাবে যাওয়া যায়?” — আজকের এই গাইডটি মূলত তাদের জন্যই। এখানে আপনি পাবেন স্টেপ বাই স্টেপ ইতালি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস, ভিসা ফি, এবং ইন্টারভিউ টিপসসহ বিস্তারিত তথ্য।

    অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ

    ইতালির ভিসার জন্য প্রথম ধাপ হলো অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ করা। আপনি VFS Global বা ইতালির অফিশিয়াল এম্বাসির ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে পারবেন। আবেদন ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনো তথ্য ভুল না হয়।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন

    ভিসা আবেদনের সময় আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে, যেমন:

    • বৈধ পাসপোর্ট (মিনিমাম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
    • দুবাই রেসিডেন্স পারমিট (UAE Visa)
    • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি
    • আবেদন ফর্মের প্রিন্ট কপি
    • NOC (যদি প্রযোজ্য হয়)
    • ফ্লাইট এবং হোটেল বুকিংয়ের ডিটেইলস
    • ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স (কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো কাভারেজ)

    আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণ করুন

    আপনার আর্থিক অবস্থা দেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত নিচের ডকুমেন্টসগুলির মাধ্যমে তা প্রমাণ করতে হয়:

    • সেলারি স্লিপ বা স্যালারি সার্টিফিকেট (শেষ ৩ মাসের)
    • ব্যাংক স্টেটমেন্ট (কমপক্ষে ৩ মাস)
    • যদি ব্যবসায়ী হন তবে ট্রেড লাইসেন্স এবং কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্ট

    টিপস: আপনার মাসিক আয় যদি মিনিমাম ১৫০০ ইউএস ডলার বা তার সমপরিমাণ হয়, তবে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৯৯.৯৯%)।

    ফ্লাইট এবং হোটেল বুকিং দেখানো

    ভিসা অফিসার বুঝতে চায় আপনি কোথায় থাকবেন এবং কিভাবে যাবেন। এজন্য আপনাকে দিতে হতে পারে:

    • রিটার্ন এয়ার টিকিট বুকিং
    • হোটেল রিজার্ভেশন বা স্পন্সরের ইনভাইটেশন লেটার (যদি প্রযোজ্য হয়)
    • ট্রাভেল প্ল্যান (ইতালিতে কোথায় কোথায় যাবেন)

    ভিসা ফি পরিশোধ

    আপনার ভিসার টাইপ অনুযায়ী ফি ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত ভিসা ফি ৮০ ইউরো হয়ে থাকে (শিশুদের জন্য কম)। ফি পরিশোধ করার নিয়ম এবং মাধ্যম ভিএফএস বা এম্বাসির ওয়েবসাইটে বিস্তারিত উল্লেখ থাকে।

    ভিসা ইন্টারভিউ

    সব ক্ষেত্রে না হলেও কিছু সময় ভিসা ইন্টারভিউতে ডাকতে পারে। ইন্টারভিউ চলাকালীন আপনাকে সঠিক এবং স্বচ্ছভাবে উত্তর দিতে হবে। মনে রাখবেন, অসত্য তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

    সেরা প্রস্তুতির জন্য: আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, আয়, প্ল্যান এবং স্পন্সরের সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখুন।

    ভিসা প্রসেসিং সময় ও সংগ্রহ

    সাধারণত ভিসা প্রসেসিং সময় ৭-১৫ কার্যদিবস। তবে ভিসার ধরন ও আবেদনকারীর প্রোফাইল অনুযায়ী সময় বাড়তেও পারে। ভিসা প্রস্তুত হলে আপনি ইমেইল বা SMS এর মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাবেন।

    দুবাই থেকে ইতালি যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াটি খুব একটা জটিল নয়, যদি আপনি সঠিকভাবে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেন। সবসময় মনে রাখবেন, সর্বশেষ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য ইতালির অফিশিয়াল এম্বাসি বা ভিএফএস ওয়েবসাইট ভিজিট করা বাঞ্ছনীয়।

    ভবিষ্যতে ইউরোপিয়ান ভ্রমণকে সহজ এবং ঝামেলাহীন করতে চাইলে এই গাইডটি অবশ্যই আপনার উপকারে আসবে।

  • বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসা ছাড়াই যে দেশে ভ্রমণ করা যায়

    আপনার যদি একটি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকে, তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ কিছু ভ্রমণের সুযোগ। বর্তমানে এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই অথবা ভিসা অন-অ্যারাইভাল অথবা ই-ভিসা সুবিধায় প্রবেশ করতে পারেন।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন দেশে আপনি এই সুবিধা পেতে পারেন

    বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা নিচের ২০টি দেশের ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন:

    • এশিয়া (৬টি দেশ): ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, টিমর-লেস্টে
    • দক্ষিণ আমেরিকা (১টি দেশ): বলিভিয়া
    • উত্তর আমেরিকা (ক্যারিবীয় অঞ্চল – ১১টি দেশ): বাহামাস, বার্বাডোস, ডোমিনিকা, হাইতি, জামাইকা, মন্টসেরাট, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, গ্রেনাডা, ট্রিনিডাড ও টোবাগো
    • ওশেনিয়া (৮টি দেশ): ফিজি, কুক দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি, নিউয়ে, মাইক্রোনেশিয়া, সামোয়া, টুভালু, ভানুয়াটু
    • আফ্রিকা (১৬টি দেশ): গাম্বিয়া, বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরোস, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, টোগো

    মনে রাখবেন: যেসব দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশ সম্ভব, সেসব দেশের অনেকগুলোতে প্রবেশের জন্য পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্য বীমা থাকতে পারে।

    ভিসা অন-অ্যারাইভাল (Visa on Arrival) সুবিধা যেসব দেশে

    আপনি আগেই কোনো প্রকার ভিসা না নিয়ে, সরাসরি গন্তব্যে গিয়ে ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন নিম্নলিখিত দেশে:

    • এশিয়া: মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল, টিমর-লেস্টে, শ্রীলঙ্কা
    • আফ্রিকা: কেপ ভার্দে, মৌরিতানিয়া, বুরুন্ডি, কমোরোস, গিনি-বিসাউ, মাদাগাস্কার, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া
    • দক্ষিণ আমেরিকা: বলিভিয়া
    • ওশেনিয়া: টুভালু

    আবশ্যক ডকুমেন্টস:

    • বৈধ পাসপোর্ট (ছয় মাস মেয়াদ সহ)
    • সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি
    • ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং
    • ভ্রমণসূচি
    • আবেদন ফি (ক্রেডিট কার্ড/ক্যাশ)

    ই-ভিসা সুবিধা যেসব দেশে

    ইলেকট্রনিক ভিসা বা ই-ভিসা এখন খুবই জনপ্রিয়। আপনি অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে সহজেই ই-ভিসা পেতে পারেন। নিচের দেশগুলো বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা অফার করে:

    • এশিয়া: বাহরাইন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, কাতার, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম
    • ইউরোপ: আলবেনিয়া
    • আফ্রিকা: বেনিন, বটসোয়ানা, বুর্কিনা ফাসো, ক্যামেরুন, আইভরি কোস্ট, জিবুতি, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইথিওপিয়া, গাবন, গিনি, কেনিয়া, মালাউই, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, সাও টোমে ও প্রিন্সিপে, দক্ষিণ সুদান, টোগো, উগান্ডা, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে
    • ক্যারিবিয়ান: অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
    • দক্ষিণ আমেরিকা: সুরিনাম

    ই-ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত দেশ অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আবেদনকারীদের অনলাইনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করে আবেদন করতে হয়।

    ভিসা-ফ্রি, অন-অ্যারাইভাল বা ই-ভিসার আওতায় না থাকলে আপনাকে পূর্বে আবেদন করে ট্যুরিস্ট ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।

    ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

    • পূরণ করা ভিসা আবেদন ফর্ম
    • বৈধ পাসপোর্ট (ছয় মাস মেয়াদসহ)
    • পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে)
    • সাম্প্রতিক ছবি
    • ব্যাংক স্টেটমেন্ট (শেষ ৬ মাসের)
    • ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং
    • আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ
    • ম্যারেজ সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য হয়)

    বিশ্ব ভ্রমণের স্বপ্ন আর স্বপ্ন নয়! আপনার কাছে যদি থাকে একটি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, তাহলে আপনি অনেক দেশেই ঘুরে আসতে পারেন খুব সহজেই। ভিসা ছাড়া, অন-অ্যারাইভাল কিংবা ই-ভিসা — প্রতিটি অপশন আপনাকে বিশ্ব দেখার দারুণ সুযোগ করে দিচ্ছে। ভ্রমণ পরিকল্পনার আগে দেশের বর্তমান প্রবেশ নীতিমালা জেনে নিন এবং ডকুমেন্ট ঠিকমতো প্রস্তুত রাখুন।

  • How To Make Money From Canva As A Expert

    বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়ায় গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। যারা গ্রাফিক ডিজাইনার নন কিন্তু ডিজাইন শিখতে চান, তাদের জন্য Canva একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম। Canva একটি সহজ ও ইউজার-ফ্রেন্ডলি টুল, যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই প্রফেশনাল মানের ডিজাইন তৈরি করতে পারবেন – আপনার কোনো প্রফেশনাল এক্সপেরিয়েন্স ছাড়াই। কিন্তু একটা জিনিস লাগবে সেইটা হলো চিন্তা করার মানিসিকতা। মানে আপনার মনের অজান্তে একটা ডিজাইন চিন্তা করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

    আজকের ব্লগে আমরা জানবো আপনি যদি Canva-তে দক্ষ হন, তাহলে কীভাবে ঘরে বসে বিভিন্নভাবে আয় করতে পারেন।

    আয় ইনকাম তো করবেন, কিন্তু তার আগে জেনে নেওয়া উচিত আপনি Canva কেন শিখবেন। অনেক তো টুলস অনলাইন এ আছে। কিন্তু সেই গুলোর মধ্যে Canva কেন শিখবেন।

    কেন Canva শিখবেন?

    • কোনো জটিল সফটওয়্যার শেখার দরকার নেই
    • মোবাইল ও ল্যাপটপে সহজেই ব্যবহারযোগ্য
    • অসংখ্য ফ্রি টেমপ্লেট, ফন্ট, আইকন ও ছবি
    • সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রিন্ট মিডিয়া – সবকিছুর ডিজাইন করা যায়

    Canva দিয়ে আয় করার ৭টি উপায়:

    ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করা

    আপনি যদি Canva ঠিক মতো আয়ত্ত করতে পারেন তাহলে আমি বিস্বাস করি যে কোনো ধরণের ডিসাইন আপনি করতে পারবেন। Canva ব্যবহার করে আপনি logo design, social media post, business card, flyer, resume design ইত্যাদি খুব সহজেই তৈরী করতে পারবেন।

    যে কোনো ফ্রীল্যান্সি মার্কেট প্লেস যেমন : Upwork, Fiverr এ যদি আপনি একটু রিসার্চ করেন তাহলে দেখতে পাবেন প্রচুর পরিমান এর কাজ আছে এই সকল টপিক এর উপর। আপনি খুব সহজেই সে কাজ গুলো করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

    Social Media Content Creator হিসেবে কাজ করা

    অনেক ছোট ব্যবসা বা উদ্যোক্তা তাদের ফেসবুক/ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ডিজাইন করে দিতে লোক খোঁজে। Canva দিয়ে আপনি তাদের জন্য Engaging Post, Story, Banner ডিজাইন করে দিতে পারেন। এবং এই ধরণের কাজের জন্য তারা আপনাকে মাসিক বা প্রজেক্ট ভিত্তির পেমেন্ট করবে যেইগুলো মূলত ৫০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা বা তার বেশিও হয়। এই ধরণের কাজ আপনি মূলত পেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া তে বা linkedin এর মাধ্যমে। এই সকল প্লাটফর্ম এ যাদের কাজ লাগবে তারা জব পোস্ট করে থাকে।একটা কথা মাথায় রাখবেন, এই ধরণের কাজের জন্য আপনার একটা সুন্দর সিভি সব সময় রেডি রাখবেন এবং মজার বিষয় হলো আপনি Canva দিয়ে সুন্দর সিভি তৈরী করতে পারবেন।

    ডিজিটাল প্রোডাক্ট বানিয়ে বিক্রি করা (Etsy / Gumroad / Own Website)

    Canva ব্যবহার করে আপনি ডিজিটাল প্রোডাক্ট যেমনঃ ক্যালেন্ডার, প্রিন্টেবল প্ল্যানার, ইনভিটেশন কার্ড, রিজিউমে টেমপ্লেট, ওয়েডিং কার্ড ইত্যাদি ডিজাইন করে Etsy বা Gumroad-এ বিক্রি করতে পারেন। একবার তৈরি করে দিলে এটি প্যাসিভ ইনকাম এর উৎস হতে পারে।

    YouTube Thumbnail ও Channel Art ডিজাইন

    অনেক ইউটিউবার তাদের ভিডিও থাম্বনেইল ও চ্যানেল আর্ট ডিজাইন করে দিতে ডিজাইনার খোঁজে। Canva দিয়ে খুব সহজে আকর্ষণীয় থাম্বনেইল তৈরি করা যায়। আপনি যদি সুন্দর করে Eye-catching ইউটিউব থাম্বনাইল তৈরী করতে পারেন তাহলেই আপনি এই ছোট কাজ করেও ইনকাম করতে পারবেন। আর একটা বিষয় এইখানে প্রশ্ন আসতে পারে আপনি ক্লায়েন্ট কোথায় পাবেন। আপনি এইধরণের কাজের জন্য ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ, ফ্রিলাঞ্চসিং মার্কেটপ্লেস এবং ইউটিউবারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাজ নিতে পারবেন। আর একটা বিষয় তাদেরকে অবশ্যই আপনার পূর্বের ডিজাইন করা অনেক স্যাম্পল দেখানো লাগতে পারে। এইজন্য আগে থেকে ঐগুলো রেডি করে রাখবেন।

    অনলাইন কোর্স তৈরি ও শেখানো

    যদি আপনি Canva-তে ভালো দক্ষ হন, তাহলে আপনি নিজেই একটি কোর্স বানিয়ে ইউডেমি, স্কিলশেয়ার বা ইউটিউবে ফ্রি বা পেইড কোর্স দিতে পারেন। আপনার কোর্স বিক্রি হলে আপনি নিয়মিত আয় করতে পারবেন।

    Virtual Assistant হিসেবে কাজ করা

    অনেক কোম্পানি বা উদ্যোক্তা Canva-তে কাজ করানোর জন্য ভি.এ (Virtual Assistant) হায়ার করে। আপনি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ডিজাইন, প্রেজেন্টেশন স্লাইড, রিপোর্ট টেমপ্লেট ইত্যাদি তৈরি করে দিতে পারেন।

    ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরি

    Canva দিয়ে আপনি নিজের বা অন্যের ব্লগের জন্য ইনফোগ্রাফিক, ব্লগ ব্যানার, কোট পোস্টার ইত্যাদি তৈরি করতে পারেন। এই কাজগুলো কন্টেন্ট মার্কেটিং এ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    Canva শুধু একটি ডিজাইন টুল না – এটি হতে পারে আপনার অনলাইন ইনকামের একটি বড় মাধ্যম। আপনি যদি নিয়মিত প্র্যাকটিস করেন এবং স্কিল ডেভেলপ করেন, তাহলে ঘরে বসেই ভালো আয় করা সম্ভব। সময়ের চাহিদা বুঝে ডিজিটাল স্কিল শেখা এখন অত্যন্ত জরুরি, আর Canva সেই পথের একটি সহজ ও কার্যকর মাধ্যম।

  • ৫০টি ফ্রি AI টুলস যা আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করবে (২০২৫ আপডেট)

    আস্সালামুআলাইকুম,
    আমি হুমায়ন। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI (Artificial Intelligence) আমাদের দৈনন্দিন কাজকে যেমন সহজ করে দিচ্ছে, তেমনি পেশাগত জীবনে সময় ও খরচ বাঁচাতেও দারুণ সাহায্য করছে। লেখালেখি, ডিজাইন, মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং—প্রায় সব ক্ষেত্রেই এখন AI টুলস ব্যবহার করা হচ্ছে।

    আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ৫০টি বাছাইকৃত ফ্রি AI টুলসের তালিকা, যেগুলো ২০২৫ সালে আপনার কাজকে আরও সহজ ও দ্রুত করে তুলবে।

    ৫০টি সেরা ফ্রি AI টুলের তালিকা:

    ১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
    ২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
    ৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
    ৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
    ৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
    ৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
    ৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
    ৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
    ৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
    ১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
    ১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
    ১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
    ১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
    ১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
    ১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
    ১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
    ১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
    ১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
    ১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
    ২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
    ২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
    ২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
    ২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
    ২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
    ২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
    ২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
    ২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
    ২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
    ২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
    ৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
    ৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
    ৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
    ৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
    ৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
    ৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
    ৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
    ৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
    ৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
    ৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
    ৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
    ৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
    ৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
    ৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
    ৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
    ৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
    ৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
    ৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
    ৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
    ৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
    ৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

    কেন এই AI টুলগুলো ব্যবহার করবেন?

    • কনটেন্ট লেখার সময় বাঁচাতে পারবেন।
    • ডিজাইন বা ভিডিও এডিটিংয়ে প্রফেশনাল আউটপুট পাবেন।
    • SEO ও মার্কেটিং কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন দ্রুত।
    • ছোট ব্যবসা বা ফ্রিল্যান্স কাজে প্রোডাকটিভিটি বাড়াতে পারবেন।
    • ব্যয় কমিয়ে বেশি ফলাফল আনতে পারবেন।

    ২০২৫ সালে ফ্রিল্যান্সার, ছাত্র, উদ্যোক্তা বা ডিজিটাল মার্কেটার—যেই হোন না কেন, AI টুলস ছাড়া এগোনো কঠিন। এই তালিকাভুক্ত ৫০টি ফ্রি AI টুল আপনাকে দেবে সময়, খরচ ও শ্রমে সাশ্রয়। প্রতিটি টুলের ব্যবহার নির্ভর করবে আপনার প্রয়োজনের ওপর, তবে স্মার্টভাবে এগুলো ব্যবহার করলে আপনার কাজের গতি এবং মান উভয়ই বাড়বে নিশ্চিতভাবে।

  • IELTS নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

    কি অবস্থা সবার।আশা করি সবাই ভালো আছেন? আমিও ভালো আছি। আসলে বিদেশে পড়াশুনা সবাই করতে চায়।কিন্তু একটা জায়গাতে সবাই একটু আটকিয়ে যায়। সেটি হল IELTS.

    জি হ্যা। ঠিকই শুনেছেন বা জানেন। আপনি নিজেও যখন বিদেশে পড়াশুনা করার কথা চিন্তা করবেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই আপনার মনেও একটা ভয় সৃষ্টি করবে এটি। এটি স্বাভাবিক। কিন্তু সত্য কথা হল আপনি যদি ঠিক মত বুঝে শুনে প্রস্তুতি নেন তাহলে অনায়াসে খুব ভালো একটা স্কোর সিয়ে আসতে পারবেন। আমরা আজকের ব্লগে কোনো কিছু শিখবো না।আমরা IELTS এর কমন কিছুন প্রশ্ন যেগুলো যখন আপনি প্রস্তুতি নিবেন তখন আপনার মনে আসবে, সেগুলো সম্পর্কে জানবো। আমি চেষ্টা করেছি সব গুলো প্রশ্ন এক জায়গাতে করে একটা পরিপূর্ণ লিখা উপহার দিবার।কিন্তু তারপরও যদি কিছু ছাড়া পড়ে তাহলে অবশ্যই আমি এর দ্বিতীয় পার্ট নিয়ে আসবো। তাহলে দেরী না করে আসল কাজ শুরু করা যাক।

    IELTS আসলে পরীক্ষা নাকি টেস্ট?

    উত্তর – IELTS হল একটি টেস্ট। এটি কোনো পরীক্ষা না। আপনারা যদি IELTS এর পূর্ণরূপ পড়েন তাহলেই বুঝতে পারবেন। IELTS এর পূর্ণরূপ হল International English Language Testing System. মানে আমরা একটু লক্ষ করলেই বুঝতে পারবো যে এখানে বলা হয়েছে এটি ইংরেজি ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম।মানে আপনি ইংরেজি ল্যাঙ্গুয়েজ এর উপর কেমন দক্ষ সেটি টেস্ট করা হয়। মানে আমরা সহজেই বুঝতে পারি এটি একটি টেস্ট।পরীক্ষ না।

    IELTS টেস্ট এর জন্য কত দিনের প্রস্তুতি নিতে হবে বা কত দিন লাগবে?

    উত্তর – আসলে এটি পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপর। এটি একটি টেস্ট। আর এর মাধ্যেমে আপনার ইংরেজির উপর দক্ষতা টেস্ট করা হয়।আপনি যত তাড়াতাড়ি আপনার দক্ষতা বাড়াতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি এই টেস্ট এ ভাবে ফলাফল নিয়ে আসতে পারবেন।

    IELTS টেস্ট কোথায় দিতে হয়?

    উত্তর – IELTS টেস্ট আপনাকে একটি টেস্ট সেন্টারে দিতে হয়। British Council এবং IDP নামে দুইটি প্রতিষ্ঠান আছে যারা IELTS এর টেস্ট নিয়ে থাকে।আর তাদের আবার সিলেক্টেড কিছু পার্টনার প্রতিষ্ঠান আছে।যেখানে তারা সেন্টার বানিয়ে টেস্ট নেয়।আসলে IELTS টেস্ট মূলত নেয় Cambridge University.

    কোথায় টেস্ট দিলে ভালো হবে বা ভালো স্কোর আসবে?

    উত্তর – দেখেন অনেকে আপনাকে অনেক কথা বলতে পারে।কিন্তু কোথায় টেস্ট দিবেন না দিবেন না, এটা পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপর।হোক British Council বা IDP. যে সেন্টারে যেতে আপনার কম সময় লাগবে সেখানেই দিন।

    IELTS টেস্ট এ কোনো সহযোগিতা নেওয়া যায় কিনা?

    উত্তর – মোটেও না। আপনি যদি কোথাও থেকে শুনে থাকেন যে সহযোগিতা পাওয়া যায়।তাহলে সেটি ভুয়া। এখানে দুই নম্বারি করার কোনো অবকাশ নেই।

    IELTS টেস্ট এর জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিবো?

    উত্তর – প্রশ্নটি যতটা ছোট, উত্তর তার থেকেও বিশাল। আসলে প্রস্ততি কিভাবে নিবেন সেটি নির্ভর করবে আপনার উপর।আপনার আগে উচিত হবে IELTS সম্পর্কে বিস্তারিত জানা। তারপর IELTS টেস্ট কোন কোন মডিউলে হয় সেগুলো সম্পর্কে জানা। তারপর প্রত্যেক মডিউল এর প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে জানা। তারপর সেগুলো সমাধান করার নিয়ম গুলো আসত্ত করা।

    IELTS এর জন্য অফলাইন কোচিং ভালো নাকি অনলাইন কোচিং ভালো?

    উত্তর – এটি পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপর। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় অনলাইনই বেস্ট। কারণ আপনি যে লোকেশন এই থাকেন না কেন? আপনি খুব সহজেই কোনো এক ট্রেইনার এর অনলাই ব্যাচে ভর্তি হয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি অনেক অলস প্রকৃতির হন তাহলে অফলাইনই বেস্ট।

    IELTS টেস্ট এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করবো কোথায় থেকে

    উত্তর – আপনি চাইলে নিজেই ইউটিউব দেখে করতে পারেন। অথবা যেকোনো IELTS Test Center এ গেলেই তারা আপনাকে সহযোগিতা করবে।

    আপাদত এতটুকুই। আমার কাছে মনে হয়েছে এগুলো প্রশ্ন সবার মনে একবার হলেও আসে।তারপরও আপনার যদি কোনো নিদিষ্ট প্রশ্ন থাকে তাহল কমেন্ট এ কমেন্ট করবেন।উত্তর দেওয়া হবে।

  • কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট গুগলে সাবমিট করবেন

    কি খবর?
    আশা করি আপনারা ভালো আছেন। আমি হুমায়ন। আমরা আজকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। ধরেন আপনার এটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পএ সেখানে আছে। আপনি চাচ্ছেন আপনার ব্লগে অনেক মানুষ ভিজিট করুক। কিন্তু আপনি যদি গুগলে বা কোনো সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েবসাইট বা ব্লগটি সাবমিটই না করেন, তাহলে কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসবে? তাই নয়কি। এজন্য ওয়েবসাইট বা ব্লগে যদি আপনি ভিজিটর চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগটি সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হবে। যাতে করে যে কেউ সার্চ দিলে আপনার ব্লগটি দেখতে পায়।
    আর আজকে আমরা এই বিষয়টি দেখবো যে, কিভাবে আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুগলে সাবমিট করবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    গুগল কি?

    গুগল হল একটি সার্চ ইঞ্জিন। আপনার যদি কোনো কিছু জানার থাকে, তাহলে আপনি গুগলে গিয়ে লিখে সার্চ দিলেই আপনি আমার জিনিসটি পেয়ে যাবেন। এটা আমরা সবাই জানি।

    ওয়েবসাইট কেন গুগলে সাবমিট করবো?

    দেখেন প্রথমেই বলেছি, আরা মূলত ট্রাফিক বা ভিজিটর এর জন্য ওয়েবসাইট বা ব্লগ গুগলে সাবমিট করবো। কারণ আমাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরীর মুল উদ্দেশ্য হল সেখানে ট্রাফিক আসবে। আমাদের জিনিস গুলো পড়বে বা দেখবে এবং আমরা টাকা ইনকাম করবো।সোজা হিসাব।বিস্তারিত আমরা অন্য কোনো আর্টিকেল এ দেখবো।কেমন।

    কিভাবে সাবমিট করবেন?

    আমি সব কিছু ছবির সাথে একদম স্টেপ বাই স্টেপ লিখে শিখাবো। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।যদি কোনো সমস্যা হয়।তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।

    ১। প্রথমে গুগলে যাবেন। যাবার পর Google Search Console লিখে সার্চ দিবেন।সার্চ দিবার পর ছবিতে দেখানো লিংকে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

    ২। Search Console এর হোম পেজে যাবার পর  Start Now তে ক্লিক করুন।আর হ্যা অবশ্যই আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট মানে জিমেইল লগিন রাখবেন।

    ২। Start Now তে ক্লিক করার পর আপনি নিচের ছবির মত একটি ড্যাসবোর্ড পাবেন। সেখানে আপনি দেখেন, হাতের বাম সাইডে লাল কালি দিয়ে একটি Box আছে। সেখানে ক্লিক করুন।

    ২। Start Now তে ক্লিক করার পর আপনি নিচের ছবির মত একটি ড্যাসবোর্ড পাবেন। সেখানে আপনি দেখেন, হাতের বাম সাইডে লাল কালি দিয়ে একটি Box আছে। সেখানে ক্লিক করুন।

    নোট – আপনার যদি আগে কোনো ওয়েবসাইট গুগলে সাবমিট করা না থাকে তাহলে আপনাকে ওই Box দেখাবে না।সোজাসোজি আপনাকে তাদের ওয়েবসাইট সাবমিট এর পেজে নিয়ে চলে যাবে।আমার যেহুতু আগে একটি ওয়েবসাইট সাবমিট করা আছে।সেহুতু আমাকে এই পেজে রেখে দিয়েছে।

    ৩। তারপর আপনি ড্রপডাউন মেন্যুতে ক্লিক করলে একটি মেন্যু আসবে।সেখানে লিখা থাকবে Add Property (+).।সেখানে ক্লিক করুন।

    ৪। ক্লিক করার পর আপনাকে Select Property Type পেজে নিয়ে যাবে। এবং সেখানে দুইটি Box থাকবে। একটি মেইন ডোমেইন এর জন্য এবং আরেকটি সাব ডোমেইন এর জন্য। আমরা যেহুতু মেইন ডোমেইন জমা দিবো।সেহুতু আমরা ডোমেইন এর জায়গাতে আমাদের ডোমেইন দিয়ে Continue তর ক্লিক করবো।

    ৫। Continue তে ক্লিক করার পর আপনার ডোমেইন এর মালিকানা ভেরিফাই করতে বলবে। আপনি এখানে ডোমেইন ভেরিফাই করার জন্য দুইটি অপশন পাবেন। একটা TXT এবং অন্যটি হল Cname. আমরা TXT দিয়ে ভেরিফাই করবো।আপনি সেখানে একটি কোড পাবেন এবং Copy নামে একটি অপশন পাবেন। আমরা কোডটি কপি করবো।

    ৬। তারপর আপনার হোস্টিয় সিপ্যানেলে লগিন করুন। আমার যেমন নেমচিপ থেকে হোস্টিং কিনা আছে, সেহুতু আমি আমার নেমচিপ হোস্টিং এ লগিন করেছিম সব সেয়ার্ড হোস্টিং সিপ্যানেল দেখতে ঠিক একই রকম।

    ৭। তারপর DNS Zone Editor এ যাবেন। য্বার পর যে ডোমেইনটি ভেরিফাই এর জন্য গুগলে সাবমিট করেছেন সে ডোমেইন এর অপশন থেকে Manage এ ক্লিক করুন।

    ৮। ম্যানেজে ক্লিক করলে ওই ডোমেইন এর DNS প্যানেলে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে ছবিতে দেখানো Add Record এ ক্লিক করুন।

    ৯। Add Record এ ক্লিক করার পর আপনার ডোমেইনে নতুন DNS অ্যাড করার জন্য নতুন ·কটি অপশন আসবে।আপনি Type এ ক্লিক করে TXT সিলেক্ট করবেন।
    ১০। তারপর Valid Zone Name এর জায়গাতে আপনার ডোমেইন নেম এবং Record এর জায়গাতে আপনার কপি করা কোডটি দিয়ে Save Record এ ক্লিক করুন।

    ১১। ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার DNS অ্যাড হয়ে যাবে।

    নতুন DNS আপডেট হতে ৩০ মিনিট এর মত সময় লাগে। আপনাকে একটু অপেক্ষা করতে হবে।

    ১২। তারপর আবার গুগল সার্চ কনসোলে যাবেন।যাবার পর ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করবেন।

    ১৩। প্রথমে Failed আসতে পারে। ভয় পাবেন না। একটু অপেক্ষা করে আবার ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করবেন। আশা করি ভেরিফাই হয়ে যাবে।

    আর এভাবেই আপনি আপনার ডোমেইনটি গুগলে খুব সহজে সাবমিট করতে পারবেন। আর হ্যা লিখা পড়ে যদি বুঝতে সমস্যা হয়। তাহলে ভিডিও অ্যাড করা আছে। ভিডিও দেখে দেখে শিখে নিয়েন। আশা করি সমস্যা হবে না। আর যদি ভিডিও দেখেন তাহলে অবশ্যই চ্যানেন সাবস্কাইব করবেন। টাটা

  • মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসার পরিপূর্ণ গাইডলাইন

    মাল্টা ইউরোপের ছোট্ট একটি দ্বীপ রাস্ট্র যার আয়তন ৩১৬ স্কয়ার কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার এর কাছাকাছি। এই ছোট্ট দেশকে ইউরোপে প্রবেশের প্রবেশদ্বার বলা হয়ে থাকে। আমরা অনেকে চাই মাল্টাতে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশুনা করতে। আমি জানিনা কত জন পড়াশুনা করার জন্য মাল্টা পাড়ি জমায়।সবারই একই উদ্দেশ্য থাকে মাল্টাতে স্টুডেন্ট ভিসায় প্রবেশ করে পরবর্তীতে ইউরোপের অন্য যে কোনো ভালো দেশে পাড়ি জমানো। এজন্য আজকে মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আমার এই লিখা। আমি আজকের লিখায় মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    মাল্টা

    মাল্টা সম্পর্কে যদি বলতে চাই তাহলে প্রথমেই বলতে হবে এটি একটি দ্বীব রাষ্ট্র। মাল্টার আয়তন মাএ ৩১৬ স্কয়ার কিলোমিটার। এই ছোট্ট আয়তন এর দেশের মোট জনসংখ্যা ৩ লক্ষ ৫০ হাজার। মাল্টার মুদ্রা ইউরো এবং সব চাইতে মজার বিষয় হল মাল্টায় মানুষজন যোগাযোগ এর জন্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে। ওহ্ হ্যা আর একটি কথা বলতে ভুলে গেছি, সেটি হল মাল্টা একটি ইউরোপিয়ান দেশ।মানে সেনজেন ভুক্ত ২৭ টি দেশের মধ্যে মাল্টা একটি। মাল্টা ট্যুরিজম এর জন্য বিখ্যাত। মানে দ্বীপ রাষ্ট হওয়াতে এখানে অন্য দেশের মানুষজন ঘুরাফিরা করার জন্য আসে।মাল্টা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হওয়ার পাশাপাশি তারা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারে অনেক কাজ করে থাকে ।

    মাল্টায় উচ্চ শিক্ষা

    মাল্টা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার জন্য তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যোগ্যতা পূরণ, স্টুডেন্ট ভিসা হাতে পাওয়া, ভর্তি হওয়ার জন্য যা যা কাগজ পত্র লাগবে এবং মাল্টাতে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার জন্য প্রাসঙ্গিক যা যা বিষয় জানা প্রয়োজন তার সবটুকুই আমরা আজকে আপনাকে জানাবো।

    মাল্টায় কেন পড়াশোনা করবেন?

    • পড়াশোনার পাশাপাশি ট্যুরিজম ও বিজনেসের জন্য সেরা কয়েকটি স্থানের মধ্যে একটি হচ্ছে মাল্টা।
    • এখানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডিগ্রি প্রদানকারী অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
    • তুলনামূলকভাবে স্বল্প টিউশন ফি দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।
    • স্বল্প খরচে বাস করতে পারবেন।
    • শিক্ষা খাতে নিত্যনতুন বৈচিত্র্য দেখতে পাবেন।
    • পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ ও ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন।
    • অনেক ধরনের কোর্স থেকে নিজের পছন্দমতো কোর্স বাছাই করে পড়তে পারবেন।

    মাল্টায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য যোগ্যতা

    দেখেন যে দেশেই আপনি পড়াশোনার জন্য যেতে চান না কেন, আপনার নূন্যতম কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে। চলুন দেখে নেই কি কি যোগ্যতা থাকলে আমরা মাল্টাই স্টুডেন্ট ভিসা পেতে পারি।

    • আপনাকে বাংলাদেশ এর পাসপোর্টধারী নাগরিক হতে হবে।
    • অনার্স যদি করতে চান তাহলে আপনার HSC শেষ করতে হবে।
    • মাস্টার্স যদি করতে চান তাহলে বাংলাদেশ এর যে কোনো ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স এর সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
    • অনেক সময় IELTS লাগে। আবার না ও লাগতে পারে।
    • ব্যাংক সল্ভন্সি থাকতে হবে।

    মাল্টায় কিভাবে ভর্তি হবেন

    মাল্টার যে কোনো ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে হলে আপনি দুইটা রাস্তা ফলো করতে পারেন।

    • নিজে নিজে এপ্লিকেশন
    • এজেন্ট দিয়ে এপ্লিকেশন

    নিজে নিজে এপ্লিকেশন – আপনি যদি নিজে নিজে এপ্লিকেশন করতে চান তা হলে আপনাকে প্রথমে ইউনিভার্সিটি খুজে বের করতে হবে। তারপর আপনি নিজে তাঁদের এডমিশন পোর্টালে গিয়ে নিজের জন্য এপ্লিকেশন সাবমিট করতে পারবেন। তারপর ইউনিভার্সিটি আপনাকে আপনার সাথে আপনার দেওয়া ইমেইল এ যোগাযোগ করবে।

    এজেন্ট দিয়ে এপ্লিকেশন – এইটা বাংলাদেশ এর চলমান একটা রাস্তা। মাল্টা নিয়ে কাজ করে এমন যে কোনো এজেন্সি এর সাথে যোগাযোগ করে আপনি তাঁদের মাধ্যমে এপ্লিকেশন করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে একটা বিষয় আপনাকে সব সময় মাথায় রাখতে হবে যে, এজেন্সি যাতে ট্রাস্ট করার মতো হয়।

    যেভাবে ভিসার জন্য আবেদন করবেন

    মাল্টার ভিসার আবেদন আপনি নিজে ও করতে পারবেন। আবার যদি চান যে কোনো এজেন্সি এর সহযোগিতা নিবেন সেইটা ও করতে পারেন। আমি পুরো স্টেপ টা নিচে বুঝাই বলছি।

    • প্রথমে আপনি VFX Global Malta Office এ এপয়েন্টমেন্ট নিবেন।
    • তারপর ভিসা এর ফর্ম ফিলাম করবেন।
    • আপনার সকল ডকুমেন্টস যদি রেডি থাকে তাহলে আপনার VFX Global এ পাওয়া ডেট এ গিয়ে আপনি আপনার ডকুমেন্টস জমা দিবেন।
    • VFX Global এ তাঁদের সার্ভিস চার্জ নিবে। আমি যখন করে ছিলাম তখন ১৭০০০ টাকার মতো লেগেছিল।

    মাল্টায় বসবাসের অবস্থা কেমন?

    মাল্টার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দল, গেইম ক্লাব, জিমসহ অন্যান্য ক্লাবের সাথে কাজ করতে পারবেন। সেখানে আপনি বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলা ও অ্যাক্টিভিটির সাথে জড়িত থাকার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়েই বিভিন্ন ধরণের সঙ্গীত, নাচ ও সাংস্কৃতিক ক্লাব রয়েছে। বসবাসের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে আপনি চাইলে প্রত্যেক মাসে ৯০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা খরচ করে ভালোমানের স্টুডেন্ট হোস্টেলে থাকতে পারবেন। প্রাইভেট ফ্ল্যাটে থাকতে চাইলে প্রতি মাসে আপনাকে গুনতে হবে ২০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত। প্রত্যেক মাসে শুধুমাত্র খাবার খরচ পড়বে ১০০০০ টাকার মতো।

    আমি জানিনা কত টুকু আপনাদের বুঝাতে পারলাম। আমার ব্লগে আরো অনেক লিখা আছে। আপনি এইটা পরে যদি কিছু বুঝতে না পারেন, তাহলে অবশ্যই ঐগুলা পড়ে নিবেন। আশা করি সব বুঝতে পারবেন। আর আমার চ্যানেল ফলো করতে পারেন।

  • বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন এবং গিয়ে কি করবেন?

    আসসালামু আলাইকুম।

    আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদেরকে যে বিষয় সম্পর্কে বলব সেটি হচ্ছে, বিদেশে গিয়ে আমরা কি করব, কি করা উচিত বা দেশে থাকা অবস্থায় কি কি করা উচিত তা সম্পর্কে। চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক। বিদেশে মানুষ শুধু মাত্র দুইটা কাজের জন্যই যায় এক হচ্ছে কেউ পড়ালেখার জন্য আর দ্বিতীয়ত কেউবা কাজের জন্য। পড়ালেখা বা কাজের জন্য যেটার জন্যই যাবেন, পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উত্তম।

    যারা কাজের জন্য যাবে তাদের জন্য কি রকম প্রস্তুতি নেয়া উচিত?

    যারা বিভিন্ন কোম্পানি থেকে বা কোন অফিসিয়াল কাজের জন্য যাবেন তারা অবশ্যই নিজেদেরকে যথাযথভাবে তৈরি করে নিয়ে যাবেন। কোন অফিসিয়াল কাজের জন্য হলে বেশিরভাগ সময় ইংরেজি ভাষা সুন্দরভাবে বলতে হয়। আপনাদের কারো যদি ইংরেজিতে একটু সমস্যা থাকে তাহলে আপনার অফিসিয়াল কাজ করতে যাওয়ার আগে অবশ্যই নিজেকে আপডেট করার চেষ্টা করবেন। যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশের আবহাওয়া সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখুন যাতে আপনার কোন সমস্যা না হয়।

    বিভিন্ন ধরনের রঙ্গিন কাপড় পড়া থেকে বিরত থাকুন। কেননা আপনি অফিসিয়াল কাজ অথবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে যাচ্ছেন আর আপনার পার্সোনালিটি ও যেন তেমনি দেখায়। নিজেকে সবসময় পরিপাটি রাখবেন। আর একটি কথা সবসময় ব্যবহার ভালো করবেন তাহলে সবখানেই মূল্য পাবেন। মার্জিত কাপড় পরা অভ্যাস গড়ে তুলুন। কোট টাই পড়তে পারেন।

    এখন কথা হচ্ছে যে যারাই স্টুডেন্ট বা যারা পড়ালেখা করতে বিদেশে যাবে তারা কি করবে?

    যারা অফিসিয়াল কাজের জন্য যায় তারা না হয় সবকিছু বুঝে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে তারা নিজেদেরকে পরিপাটি অথবা নিজেদেরকে প্রপারলি রিপ্রেজেন্ট করতে পারে কিন্তু স্টুডেন্টরা প্রায় ক্ষেত্রেই তা পারে না। তো স্টুডেন্টরা যা করবে তা হচ্ছে:

    • যেই দেশে যাবে সেই দেশের ভাষা অবশ্যই শিখে যেতে।
    • IELTS-এ ভালো ফলাফল করার যথেষ্ট চেষ্টা করবেন। এতে করে আপনি স্কলারশিপও পেয়ে যেতে পারেন।
    • যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশের আবহাওয়া সম্পর্কে ঘাটাঘাটি করুন ইউটিউব অথবা অন্য কোন প্লাটফর্ম থেকে যে সেই দেশের আবহাওয়া আপনাদের দেশের সাথে কতটুকু মিল বাও মিল। কেননা আমরা যেই আবহাওয়াতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি বাহিরে গিয়ে তা আমাদের উল্টাও হয়ে যেতে পারে। আমাদের দেশের মতোই যদি আবহাওয়া হয় তাহলে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না আর যদি অন্যরকম হয় তাহলে আগে থেকেই সেরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন। নিজের মাইন্ড সেটআপ সেভাবেই করুন। যে আমার এমন আবহাওয়ায় দিন কাটাতে হবে পড়ালেখা করতে হবে ফ্যামিলির জন্য কিছু করতে হবে নিজের জন্য কিছু করতে হবে সবকিছুই মাথায় রাখুন।
    • সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস। আপনি নিজের প্রতি যখন আত্মবিশ্বাসী হতে পারবেন তখন থেকেই আপনি অনেক কিছুই করতে শিখবেন।
    • বিদেশে আমাদের দেশে তুলনায় জামাকাপড়ের দাম অনেক বেশি হয়। যতটুকু সম্ভব আমাদের দেশ থেকে আপনি ক্যারি করতে পারবেন সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন। এতে করে থাকার খরচের পরিমাণ কমে যায়।
    • বাইরের দেশে গিয়ে নিজেকে রান্না করে খেতে হয়। ভালো হয় যদি কিনা আপনি রান্না শিখে বিদেশে‌ যান।
    • বিদেশে যাওয়ার আগে সকলের থেকে অবশ্যই দোয়া নিয়ে যাবেন সকাল থেকে অবশ্যই পরামর্শ নিবেন। এতে করে তারাও আপনাকে কিছু পরামর্শ দিবে এবং আপনিও উপকৃত হবেন তার সাথে সাথে যার থেকে পরামর্শ নিবেন সেও অনেক খুশি হবে তাকে গুরুত্ব দেয়ার জন্য।
    • বিদেশে যাওয়ার আগে কোন ঝামেলার মধ্যে জড়াবেন না। এতে করে আপনার বিদেশে যাওয়ার বাধা আসতে পারে।
    • আপনি দেশ থেকে চাইলে মসলা জাতীয় কিছু নিয়ে যাইতে পারেন যদি কিনা সেটা সেই দেশে না পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে এমন ইচ্ছা হতে পারে যে দেশের কিছু রান্না করে খাই তাই জন্য সাথে করে নিয়ে যেতে পারেন।
    • আর অবশ্যই যাদের সাথে আপনার পূর্বে কোন সমস্যা ছিল কমিউনিকেশন গ্যাপ ছিল তাদের সাথে সবকিছু ঠিক করে নিয়ে উত্তম হবে। আপনারা অবশ্যই কারো সাথে কোন সমস্যা হয়ে থাকলে তাদের থেকে মাফ চেয়ে নিতে পারেন। মাফ চাও মানে নিজেকে ছোট করো না এমনটা মনে করে আবার মাফ চাইতেই যাইয়েন না। আপনার তার সাথে যে কারণে ঝামেলা আপনিও ভুলে যান তাকেও সুন্দরভাবে বোঝায় ভুলে যেতে বলিয়েন এবং মাপ চেয়ে আসেন তাহলে তার কোন সমস্যা থাকবে না আপনার বিদেশে যাওয়ার পথে।
    • বিদেশে মাটিতে গেয়ি আবার দেশকে ভুলে যাবেন না কেননা এই দেশের মাটিতেই আপনার জন্ম হয়েছে দেশ কি দিয়েছে আপনাকে তা না জিজ্ঞেস করে আপনি দেশকে কি দিচ্ছেন তা ভাবুন। সব সময় চেষ্টা করবেন নিজের দেশটিকে বিশ্ববাসীর সামনে সেরা প্রমাণ করতে। এটি শুধু আপনিই পারবেন।
    • দেশে থাকা অবস্থাতেই বিদেশে আপনাকে এয়ারপোর্টে কে রিসিভ করতে আসবে তা ঠিক করে রাখবেন যাতে কোন ঝামেলায় পড়তে না হয় পরবর্তীতে।

    বিদেশ যাওয়ার পর কি করবেন?

    • বিদেশে যাওয়ার পর আপনি অবশ্যই সেখানে যারা আগে থেকে ছিল তাদের থেকে কোথায় কি পাওয়া যাবে না যাবে জেনে নিবেন।
    • শুরুতে গিয়েই একা একা কোথাও যাবেন না। সবখানেই ভালো খারাপ দুই ধরনের মানুষ এই পেয়ে যাবেন। চেষ্টা করবেন ভালো মানুষদের থেকে একটু হলেও সাহায্য নেয়ার, কোথায় কিভাবে চলতে হবে তার সম্পর্কে জেনে নিবেন তাদের থেকে।
    • অবশ্যই সব সময় বড়দেরকে সম্মান দিবেন তাহলে আপনি সকলের আদরের হয়ে যাবেন।
    • বিদেশে যে কোন কিছুর দাম বেশি হওয়ার কারণে সুপার শপ থেকে কেনাকাটা না করাই উত্তম হবে যদি কিনা আপনার টাকার কিছু সমস্যা থাকে। যেমনটা আমাদের বাংলাদেশের প্রায় মানুষেরই হয়ে থাকে। তবে সুপার শপ এ চা পাবেন তা অনেক ভালো হবে মানের দিক থেকে। এছাড়াও আপনারা বাঙালি অনেক পেয়ে যাবেন যাদের নিজেদের দোকান আছে। বা বাঙ্গালীদের জন্য বাজারও পেয়ে যেতে পারেন সেখান থেকে বাজার করলে আপনার সুবিধা হবে অবশ্যই। তার পাশাপাশি চেনা পরিচিত হতে পারবেন অনেকের সাথে। কখনো বিপদে পড়লে অবশ্যই কাজে লাগবে সেখানে।
    • বিদেশে গিয়ে অবশ্যই উশৃংখল হবেন না। পরিবারের থেকে অনেক দূরে থাকতেছেন তাই জন্য নিজের সবকিছু ঠিক রাখার চেষ্টা করবেন।

    পড়ালেখা করার জন্য যাচ্ছেন পড়ালেখার দিকে মনোযোগ সবসময় ঠিক রাখবেন আর পরিবারের খেয়াল রাখবেন। বিদেশে যাওয়ার পর আবার পরিবারকে ভুলে যাইয়েন না যারা কিনা আপনাকে পাঠিয়েছিল। পড়ালেখার পাশাপাশি পার্ট টাইম জব করার চেষ্টা করুন এতে করে আপনার থাকা খাওয়ার খরচ থেকে শুরু করে আপনি পরিবারের জন্য কিছু টাকা পাঠাতে পারবেন।

    মাথার মধ্যে সবসময় এইটা রাখুন যে যারা আপনার জন্য সবকিছু করলো তাদের জন্য যেন আপনি কিছু করতে পারেন, ভালো কিছু করতে পারেন। আরো কোন কিছু জানার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন আমি আপনাদের সামনে অবশ্যই তা তুলে ধরব। সকলের জন্য শুভকামনা জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের যত্ন নিবেন।

    আল্লাহ হাফেজ।