Blog

  • ওয়েবসাইট কি এবং কেন দরকার (নতুনদের জন্য)

    কি অবস্থা সবার? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি হুমায়ন রশিদ। আমর হুমায়ন রশিদ ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আমরা আজকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। সেটি হল ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট কি এবং কেন দরকার এই বিষয়টা আমি আজকের ব্লগে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। যদিও বা আপনি যদি ইউটিউবে সার্চ করেন তাহলে অনেক ভিডিও পাবেন। যেগুলো থেকে সহজেই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন, কিন্তু আমার মনে হয় আমরা সবাই এত ভিডিও কেন্দ্রিক না হয়ে একটা পড়ে বিষয়গুলো জানা খুব উপকারী। এজন্য আমি আজকের লিখায় ওয়েবসাইট কি এবং ওয়েব সাইট কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে ক্লিয়ার একটা ধারণা দিবার চেষ্টা করবো। এছাড়াও তো ভিডিও থাকছেই চ্যানেলে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    ওয়েবসাইট কি?

    ওয়েবসাইট, এই শব্দটার সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। অনেকে অবশ্য বিষয়টা সম্পর্কে জানি। কিন্তু তারপরও বিষয়টা আমি আমার ভাষায় আপনাদের সাথে সেয়ার করি। দেখেন একটা উদাহরণ দেই প্রথমে। ধরুন আপনার একটি দোকান আছে। সেটা রাজশাহী শহরের মোন্নাফের মোড়ে অবস্থিত। এখন যদি কেউ আপনার দোকান থেকে কোনো কিছু কিনতে চায় তাহলে অবশ্যই মোন্নাফের মোড়ে এসে কিনতে হবে। বা কোনো কিছু দেখতে চায় তাহলেও মোন্নাফের মোড়ে আসতে হবে।

    কিন্তু ওয়েবসাইট হল এমন একটা জিনিস সেটা দুনিয়ার যে কোনো প্রান্ত থেকে শুধু ইন্টারনেট কানেক্ট করেই দেখা সম্ভব।যেমন আমাদের এই হুমায়ন রশিদ ওয়েবসাইটটা আপনি বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে কিন্তু দেখতে পারবেন। তাহলে আমরা ওয়েবসাইট বলতে কি বুঝলাম? ওয়েবসাইট বলতে আমরা কোনো কিছুর ডিজিটাল অবস্থা বুঝি। ডিজিটাল কেন বলছি তার কারণ হল আমরা শুধু মাএ ইন্টারনেট ব্যবহার করেই সেটি দেখতে পাই বা ব্যবহার করতে পারি। উদাহরণ স্বরূপ আমরা বলতে পারি, ফেসবুক একটি ওয়েবসাইট, গুগল একটি ওয়েবসাইট, দারাজ একটি ওয়েবসাইট আরো অনেক কিছু। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

    ওয়েবসাইট কেন দরকার?

    একটি ওয়েবসাইট মানে একটা ডিজিটাল পরিচিতি। দেখেন একটা প্রাকটিক্যাল উদাহরণ দেই, ধরুন আপনি একটা দোকান করবেন আপনার বাজারে। তাহলে আপনাকে কি করতে হবে। আপনাকে ওই বাজারে একটা দোকান ঘর আগে ভাড়া নিতে হবে বা তৈরী করতে হবে। তারপর আপনি ওই ঘরে একটা দোকান দিবেন। ঠিক একই বিষয় ওয়েবসাইট এর বেলায়, আপনি আপনার সার্ভিস টা যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে দিতে চাইবেন তখন আপনার একটা ওয়েবসাইট লাগবে। এইটা ছাড়া ও আরো অনেক কারণ আছে যে গুলা আমি নিচে পয়েন্ট আকারে আলোচনা করছি। আশা করি শেষ পর্যন্ত পড়লে সব বিষয় ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

    ফ্রিল্যান্সিং করতে ওয়েবসাইট

    আপনি যদি একজন ফ্রীল্যান্সার হন তাহলে আপনার একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার।কেন বলছি, ধরেন Humayan Rashid এই ওয়েবসাইট টায় আমি কি করি, নিজে যে গুলো কাজ পারি সব গুলা কিন্তু দিয়ে রাখছি। তারপর নিজের সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত ভাবে অনেক তথ্য দিয়ে রাখছি। এখন ধরেন আমার কোনো ক্লায়েন্ট আমার সম্পর্কে জানতে চাইলো। আমি তখন কি করবো। অবশ্যই আমার এই ওয়েবসাইট এর লিংক তাকে দিয়ে দিবো। সে ওয়েবসাইট ভিসিট করবে এবং আমার সম্পর্কে অনেক ভালো একটা ধারণা পেয়ে যাবে। তাই নয় কি? জি ঠিক তাই।
    তেমনি আপনি যদি একটু রিসার্চ করেন তাহলে দেখতে পাবেন অনেক বড় বড় ফ্রীল্যান্সারদের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট আছে। এক কথাই মার্কেটপ্লেস এর পাশাপাশি আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট রাখেন তাহলে মানুষ এর মানে আপনার ক্লায়েন্ট এর ট্রাস্ট অনেক বাড়বে। আশা করি বুজতে পারছেন, একজন ফ্রীল্যান্সার এর জন্য একটি ওয়েবসাইট কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

    ব্লগার / লেখকদের জন্য ওয়েবসাইট

    আসলে এই সম্পর্কে তো বলার কিছু নাই। কারণ যারা ব্লগার তাঁদের তো একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকা ফরজ। কারণ তাদের লিখা ডিজিটাল ভাবে যদি সবার সামনে দেখাতে চায় তাহলে তাঁদের ১০০% একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকা জরুরী। কেন থাকা জরুরী এখন সেইটা প্রাকটিক্যাল ভাবে বলি। এই যেমন ধরেন আপনি যে লিখাটা পড়ছেন, এইটা কোথায় থেকে পড়ছেন? আমার Humayan Rashid Blog থেকে। তাই নয় কি। আমি ধরেন আমার জানা বিষয় গুলা আপনাদের সাথে শেয়ার করি এই ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর মাধ্যমে। এতে করে কি হয়। আপনি আমার সম্পর্কে জানতে পারেন। আমি কি কি জানি, কি করি, আমার সকল কিছু এই ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে শেয়ার করি আপনাদের সাথে। ঠিক এমন করেই একজন ব্লগার বা লেখক তাঁদের ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে তাঁদের লিখে কনটেন্ট গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করে।

    চাকরীর জন্য ওয়েবসাইট

    এইটা অবশ্য না বললে ও হতো। কিন্তু আমি চিন্তা করলাম অ্যাড করা উচিত। দেখেন এখন কার সময়ে সিভি এর তেমন চলেনা। হ্যা একটা সিভি চাকুরী এর জন্য জমা দিতে হয়। কিন্তু আপনার যদি একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনার চাকুরী পাবার সম্ভাবনা অনেক গুনে বেড়ে যায়। কি ভাবে একটু বুঝাই বলি। ধরেন আপনি একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরী করলেন। যেমন টা আমার About Page এ যদি যান তাহলে বুঝতে পারবেন। সেই খানে আমি আমার সম্পর্কে সব কিছু অ্যাড করে রাখছি। এখন ধরেন আমি থাকি দুবাই। আমি একটা কোম্পানি তে চাকুরী এর জন্য এপ্লাই করবো। তাহলে আমি করবো কি?

    আমি আমার সিভিতে মানে যে হার্ড কপি থাকবে সেখানে অবশ্যই আমার ওয়েবসাইট এর লিংক দিবো। যখন আমার HR আমার সিভি টা দেখবে। তখন অবশ্যই তার চোখে আমার ওয়েবসাইট এর লিংকটা পড়বে। এর যখনি পড়বে তখন যে ওয়েবসাইট টা ভিসিট করবে। আমার ওয়েবসাইট টায় যদি আমি সব কিছু সুন্দর করে দিয়ে রাখি তাহলে অবশ্যই তার নজরে একটা ভালো ইমপ্যাক্ট পড়বে। আর HR এর চোখে ভালো ইমপ্যাক্ট মানে চাকুরী কনফার্ম। আশা করি বুজতে পেরেছেন।

    ব্যাবসার জন্য ওয়েবসাইট

    এতক্ষন যা যা বললাম সব গুলা তো ছিল ব্যাক্তিগত কাজে। এখন বলবো আপনি যদি একটা ব্যাবসা করতে চান সেই জন্য একটা ওয়েবসাইট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ধরেন আপনার একটা দোকান আছে। ওই দোকানের কাস্টমার কারা। আপনার এলাকার আশেপাশের লোকজন। এখন আপনি চাইতেছেন আপনার দোকান এর সেল বাড়াতে। তাহলে আপনি কি করবেন। আপনার অবশ্যই একটা ecommerce ওয়েবসাইট তৈরী করতে হবে। যেই খানে আপনি আপনার দোকান এর সকল প্রোডাক্ট সাজিয়ে রাখবেন এবং দেশ এর যে কোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ সেই পণ্য অনলাইন এর মাধ্যমে অর্ডার করতে পারবে। যেমন – Daraz, Evaly, RoadPark ইত্যাদি।

    আশা করি বুজতে পেরেছেন। এই জন্য আপনিও সময় থাকতে এখনই একটা ওয়েবসাইট তৈরী করে রাখেন। আমার Humayan Rashid ইউটিউব চ্যানেলে এই নিয়ে অনেক ভিডিও আছে। আপনি চাইলে দেখে দেখে নিজের মতো করে একটা ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। যদি তার পরেও কোনো সমস্যা হয় অবশ্যই আমাকে জানান। আমার NatsTech আইটি টিমের লোকজন অনেক ভালো, আপনাকে ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরী করে দিবে। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

  • WordPress কি, কেন ব্যবহার করবো

    কি অবস্থা সবার? আসা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। আজকের ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আপনারা যারা WordPress শিখতে চাচ্ছেন বা WordPress সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের এই ব্লগ। আসা করি এই লিখাটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে WordPress সম্পর্কে পুরো বিষয় গুলো ক্লিয়ার হয়ে যাবে। মূলত আজকের ব্লগে আমরা জানবো WordPress কি এবং আমরা কেন WordPress ব্যবহার করবো একটা ওয়েবসাইট তৈরী করার জন্য। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    WordPress কি?

    WordPress হলো জনপ্রিয় একটা CMS। এখন আবার আপনাদের বুঝাই এই CMS জিনিসটা কি? CMS এর পূর্ণ রূপ হলো Content Management System. সোজা বাংলা ভাষায় যাকে বলে একটা সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আমরা খুব সহজে যে কোনো ধরণের ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারি। কে তৈরী করেছে কবে তৈরী হয়েছে এই জিনিস গুলো জেনে মনে হয়না বেশি লাভ হবে। যদি জানতে হয় তাহলে Google করেন।

    WordPress কেন ব্যবহার করবো?

    WordPress আমরা ব্যবহার করবো। অন্য অনেক তো ওয়েবসাইট তৈরী করার টেকনোলজি আছে, কিন্তু এই WordPress এ কি এমন আছে যে আমরা ওয়েবসাইট তৈরী করার জন্য WordPress ই ব্যবহার করবো। অনেক প্রশ্ন মনের ভিতর। চলুন আমরা WordPress কেন ব্যবহার করবো সেগুলো জেনে নেই।

    User ফ্রেন্ডলি – WordPress খুবই User Friendly একটা CMS. আপনি খুব কম সময়ে এটি শিখতে পারবেন। আপনি চাইলে এটি আপনার মতো করে কাস্টোমাইজড করতে পারবেন। এক কথাই এর পুরো কন্ট্রোল আপনার হাতে থাকবে। যখন যা মনে চাইবে তাই করতে পারবেন।

    SEO ফ্রেন্ডলি – একটা ওয়েবসাইট SEO ফ্রেন্ডলি হওয়াটা অনেক জরুরী। কারণ আপনার ওয়েবসাইট এর SEO ঠিক থাকলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিসিটর পাবেন। আর WordPress হলো একটা SEO ফ্রেন্ডলি CMS. সোজা কথাই আপনি WordPress দিয়ে যে সাইট গুলো তৈরী করবেন সেই গুলো SEO ফ্রেন্ডলি হবে।

    সব ওয়েবসাইট তৈরী করা যায় – সত্যি বলতে আপনি যদি WordPress শিখেন তাহলে আপনি এটি ব্যবহার করে যে কোনো ধরণের ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন। যেমন – ব্লগ ওয়েবসাইট, পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট, ইকমার্স ওয়েবসাইট, বিসনেস ওয়েবসাইট ইত্যাদি।শুধু মাত্র আপনাকে ওয়েবসাইট আর সিস্টেম আগে থেকে মাথাই রাখতে হবে।

    Theme & Plugins – আপনি WordPress এ পাবেন Theme এবং Plugin এর ভান্ডার। আপনি আপনার মনের মতো Theme ব্যবহার করতে পারবেন। সাথে আপনার ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন Function অ্যাড করার জন্য Plugins তো আছেই। যারা Theme Plugin বুঝেন নাই তারা আমার চ্যানেলে গিয়ে দেখে আইসেন। ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

    সাপোর্ট বা হেল্প – দেখেন আপনি লাইফে কখনোই কোনো বিষয়ে পন্ডিত হতে পারবেন না। কোনো না কোনো জায়গাই আপনার একটু জানার ঘাড়তি থাকবেই। ঠিক তেমনই WordPress নিয়ে কাজ করতে গেলে আপনি অনেক সময় সমস্যা এর মুখে পড়তেই পারেন। আপনি যখন ই সমস্যাই পড়বেন, তখনি আপনি যদি YouTube, Google এ একটু সার্চ করেন তাহলেই আপনি সেইটার পুরা তথ্য পেয়ে যাবেন। এক কথাই WordPress এর এর কমিউনিটি অনেক বড়। আপনি যখনি সমস্যাই পড়বেন তখনি সমাধান পেয়ে যাবেন।

    এ ছাড়াও আরো অনেক কারণ আছে যার জন্য আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরী এর জন্য WordPress ব্যবহার করবেন।

  • Online Visa চেক করার 60+ দেশের ওয়েব এড্রেস

    আস্সালামুআলাইকুম,
    আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।অনেক সময়ই দেখা যায় যে আপনারা বিভিন্ন দেশ এর ভিসা পান কিন্তু সেই গুলো যাচাই করার জন্য অন্য মানুষদের কাছে মেসেজ দিতে হয় বা কম্পিউটার এর দোকানে যেতে হয়। যাই হোক আজকে আমরা এই ব্লগে ৬০ টিরও বেশি দেশ এর ভিসা অনলাইন এ চেক করার ওয়েবসাইট দেখবো। আপনারা এই ব্লগটি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

    Online Visa চেক করার 60+ দেশের ওয়েব এড্রেস। এবার নিজেই চেক করে নিন অনলাইনে ভিসা।

    আশা করি ব্লগটি অনেক কাজে লাগছে তাদের যারা আসলে বিদেশ যাবার জন্য ভিসা হাতে পেয়েছেন বা এপ্লাই করেছেন। আবারও বলছি ব্লগটি বুকমার্ক করে রাইখেন যাতে করে প্রয়োজন এর সময় দেখতে পান। ধন্যবাদ।

  • দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

    কি অবস্থা সবার। আসা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। যায় হোক, বর্তমান সময়ে দুবাইয়ে Higher Study নিয়ে ব্যাপক কথা শোনা যাচ্ছে। তারই জন্য যারা দুবাই যেতে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে চাচ্ছেন তাঁদের অনেক প্রশ্ন থাকে মনের। আমি আশা করি আজকের এই লিখায় অনেক প্রশ্ন এর উত্তর দিয়ে দিবো। তারপরও যদি কিছু বাদ পরে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। তাহলে অন্যরাও সেটি দেখে বিষয়টা জানতে পারবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর।

    দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসা রেশীয় কেমন?

    উত্তর – দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসা রেশীয় ১০০%. এই ২০২৪ সালের এই পর্যন্ত কোনো রিজেকশন নাই।

    দুবাই স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব Opportunity কেমন?

    উত্তর – ভালো, খারাপ বলা যাবে না । কিন্তু বিষয় হলো আপনি তো গিয়েই জব পাবেন না। কারণ আপনি স্টুডেন্ট। এই জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে এবং স্কিল ডেভেলপ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনি যেহুতু স্টুডেন্ট সেহুতু আপনার সাথে যায় এমন কোনো স্কিল ডেভেলপ করুন।

    দুবাই থেকে কি ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অন্য কোনো ভালো দেশে যাওয়া যায়?

    উত্তর – জি, আপনি যেতে পারবেন। সেই জন্য আপনাকে অনেক কিছু করতে হবে। আপনি আমার দুবাই টু USA এই ভিডিওটি দেখতে পারেন।

    দুবাইতে থাকতে এবং খেতে মাসিক খরচ কেমন?

    উত্তর : দুবাইতে থাকতে এবং খেতে মাসিক পড়বে ৭০০ – ৯০০ দিরাম। কম বেশি হতে পারে অবস্থান ভেদে। কিন্তু আপনি যেহুতু স্টুডেন্ট সেহুতু আপনাকে অবশ্যই তেমন পরিবেশেই থাকতে হবে।dapibus leo.

    দুবাইতে পড়তে কেমন খরচ হতে পারে?

    উত্তর : দুবাইতে পড়তে আপনার টিউশন ফি দিতে হবে ৪০০০ ডলার এবং আপনার ভিসা, ইমারত আইডি অন্য খরচ সহ আরো ১৫০০ ডলার। মানে টোটাল ৫৫০০ ডলার।

    ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অন্য দেশে যাবো, কোন টায় ভর্তি হলে ভালো হবে?

    উত্তর : আপনি IAU বা BEC এর যে কোনো পার্টনার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন। যেমন – Vibe Education, G-Tec University, ASTI Academy, SuccessPoint

    বাংলাদেশ টু দুবাই বিমান ভাড়া কত?

    উত্তর : বাংলাদেশ তো দুবাই বিমান ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু। আপনার যত যাবার দিন এগিয়ে আসবে ততো ভাড়া বাড়বে। এই জন্য আপনি যে ডেটে যাবেন তার ১৫ থেকে ২০ দিন আগে টিকিট কাটবেন।

    দুবাই যাবার সময় টাকা কি ভাবে নিয়ে যাবো?

    উত্তর : দুবাই যাবার সময় কোনো ডলার নিয়ে যাবার দরকার নাই। লস হবে। দেশ থেকে আপনি টাকা দিরাম করে নিয়ে যাবেন। এতে করে অনেক টাকা বাঁচবে আপনার।

    বাংলাদেশ এবং দুবাই immigration কেমন হতে পারে?

    উত্তর : দেখেন দেশ ভেদে আপনার Immigration এর প্রসেস একেক রকম। বাংলাদেশ এর Immigration সব সময়ই একটু সমস্যাজনক। কিন্তূ দেশ তো আমাদের তেমন কিছু মনে হয় না। কিন্তূ দেশ এর বাহিরে Immigration কিন্তূ তেমন কষ্ট জনক না। যাই হোক আপনি আমার Dubai Immigration এবং Bangladesh Immigration এর যে দুইটা ভিডিও আছে সেইটা দেখে নিতে পারেন।

    দুবাই কি আমার জন্য ঠিক সিদ্ধান্ত কিনা?

    উত্তর : দেখেন আপনি কোন উদ্দেশ্য দুবাই আসছেন এইটা একমাত্র আপনি নিজে জানেন। কিন্তূ তারপরও অনেক বিষয় আছে। আপনি আমার দুবাই কাদের জন্য এই ভিডিওটি দেখতে পারেন। অনেক বিষয় ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

    দুবাইতে পড়াশুনা করতে আমাকে কি কি করা লাগবে?

    উত্তর : দুবাইতে পড়াশোনা করার জন্য আপনাকে তেমন কোনো কষ্টই করতে হবে না। আপনাকে প্রথমে সিলেক্ট করতে হবে আপনি কোন কোর্স এ আসবেন। তারপর সেইটার জন্য যা যা করতে হবে সেই গুলা করবেন। দুবাই আসার জন্য আপনাকে কোনো ব্যাংক স্টেটমেন্ট, IELTS বা অন্য কোনো ডকুমেন্টস এর দরকার হবে না। আপনি চাইলে আমার এই দুবাই পড়তে কি কি লাগে নামের ভিডিওটি দেখতে পারেন।

    দিনে দিনে যত প্রশ্ন আসবে এই পোস্টে আপডেট করা হবে। আশা করি আপনি আপনার উত্তর এই ব্লগ থেকেই পেয়ে যাবেন। সবাই ভালো থাকেন এবং বিদেশে আসার আগে সব সময় খোঁজ খবর নিয়ে আসবেন। ধন্যবাদ।

  • IELTS কি কেন কিভাবে [পরিপূর্ণ গাইড লাইন]

    IELTS বা English Language Testing System যাই বলি না কেন এটি কিন্তু একটি Language টেস্ট।আপনি ধরুণ বিদেশে পড়াশুনা করতে চাচ্ছেন বা বিদেশে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে চাচ্ছেন সেক্ষেএে আপনাকে IELTS টেস্ট দিতে হবে। আমরা মূলত এটিকে একটি পরীক্ষা বলে ভুল করি।কিন্তু আসলে এটি কোনো পরীক্ষা না, এটি একটি টেস্ট।এই টেস্ট এর মাধ্যেমে আপনার কিছু জিনিস টেস্ট করা হয়।মানে ওই সকল বিষয় গুলো আপনি ঠিক ঠাক মত জানেন কিনা।আমরা আজকে বিস্তারিত আলোচনা করবো ILETS কি, IELTS কেন দিবেন, এবং কিভাবে দিবেন। চলুন শুরু করা যাক।

    IELTS কি?

    প্রথমেই জেনে নেই IELTS কি? IELTS এর পরিপূর্ণরূপ হল English Language Testing System.মানে IELTS হল একটি টেস্ট, যে টেস্ট এর মাধ্যেমে আপনার ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা কেমন সেটি যাচাই করা হয়।

    চলুন জেনে নেই কোন কোন বিষয় গুলোর উপর আপনার দক্ষতা টেস্ট করা হবে এবং তারপর সেগুলোর বিস্তারিত জানবো।

    1. স্পিকিং
    2. লিসিনিং
    3.  রাইটিং
    4. রিডিং

    এই চারটি বিষয় এর উপর আপনার দক্ষতা কেমন সেগুলো এই টেস্ট দ্বারা যাচাই করা হয়।

    স্পিকিং

    স্পিকিং মডিউলটি সবার প্রথমে অনুষ্ঠিত হয়। মানে প্রথমে আপনার স্কিপিং মডিউল এর টেস্ট নেওয়া হবে।এই মডিউল এর মাধ্যেমে টেস্ট করা হয় আপনি ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে যোগাযোগ কেমন করতে পারেন। এক কথায়, আপনি কথা বলতে পারেন কিনা? সময় থাকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। এটি অনেক সময় ভিডিও কলে হয়, আবার কখন ফিজিক্যাল ভাবে হয়।যে ভাবেই হোক না কেন, সব কিছু মূলত একই। এই মডিউলটি মূলত তিনটি পার্ট থাকে।আমি নিচে তিনটি পার্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি।

    পার্ট ১ – প্রথম পার্টে মূলত আপনাকে একদম বেসিক কিছু প্রশ্ন করা হয়। যেমন – আপনার নাম কি?, আপনি কোথায় থাকেন, কি করেন, পরিবারে কে কে আছে?, চাকুরী করেন নাকি পড়াশুনা ইত্যাদি ইত্যাদি। এক কথায় সহজ প্রশ্ন যেগুলো একটা মানুষ যখন আপনাকে প্রথম দেখে, দেখার পর যে যে প্রশ্ন তার মনে আসতে পারে সেগুলো।

    পার্ট ২ – প্রথম পার্ট শেষ হওয়া মাএ দ্বিতীয় পার্ট শুরু হয়। দ্বিতীয় পার্টকে অনেকে বলে ক্লিউ কার্ড সেকশন। মানে এখানে প্রশ্ন সম্বলীত একটি কিউ কার্ড দেওয়া হয়। যেখানে একটি টপিক থাকে এবয় কিছু প্রশ্ন থাকে।নিচে একটি উদাহরণ দেওয়া হল –

    Describe some food or drink that you learned to prepare
    You should say:
    what food or drink you learned to prepare
    when and where you learned to prepare this
    how you learned to prepare this

    পার্ট ৩ – এটি একটু কঠিন হয়। আপনাকে আপনার টপিক মানে কিউ কার্ড এবং পার্ট ১ এর উপর ভিত্তি করে কিছু প্রশ্ন করবে। সেগুলো একটু বড় করে বলতে হবে।

    নোট – স্পিকিং মডিউল শেষ হবার পরে আপনার বাকি তিনটি মডিউল অন্য কোনো দিন একসাথে অনুষ্ঠিত হবে। মাসে একদিনে হয় স্পিকিং এবং অন্য দিনে বাকি তিনটি মডিউল যেমন – লিসিনিং, রিডিং এবং রাইটিং অনুষ্ঠিত হয়।

    লিসিনিং

    লিসিনিং মডিউলে আপনাকে একটি হেড ফোনে কিছু ভয়েস রেকডিং শুনানো হবে এবং আপনাকে ওই রেকডিং এর উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করা হবে। ভয় পাবার দরকার নাই। প্রশ্নের উত্তর রেকডিং এ বলে দিবে।শুধু মাএ আপনাকে সেটি শুনতে হবে মনোযোগ দিয়ে।এই মডিউলে টোটাল সময় ৬০ মিনিট। প্রশ্ন থাকে ৪০ টা। ৩০ মিনিটি রেকডিং চলে এবং বাকি ১০ মিনিট দেওয়া হয় উত্তর গুলো উত্তর পএে ট্রান্সফার করার জন্য। টোটাল ৪ টা পার্ট থাকে।আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

    রিডিং

    রিডিং মডিউলে মূলত প্রশ্ন থাকে ৪০ টা। সময় থাকে ৬০ মিনিট। মানে এখানে টোটাল ৩ টা প্যাসেজ থাকে। সে প্যাসেজ গুলোর উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন থাকে। বিভিন্ন প্রকার এর প্রশ্ন হতে পারে। যেমন – Gap Fill, True False Not Given,Yes No Not Given, MCQ,Short Questions Answer ইত্যাদি। আর হ্যা, এই মডিউলে চেক করা হয় আপনি ঠিক মত পড়ে বুঝতে পারেন কিনা।আমরা আরো বিস্তারিত রিডিং মডিউলে জানবো।

    রাইটিং

    রাইটিং মডিউলে দুইটি প্রশ্ন থাকে। যেগুলো আপনাকে লিখতে হবে।আমরা আগে যে প্যারাগ্রাফ লিখতাম।ঠিত তেমন। প্রশ্ন প্রশ্ন বিভিন্ন চার্ট,গ্রাফ ইত্যাদি এর ছবি দিতে পারে। আন দ্বিতীয় প্রশ্নে আমাদের স্পিকিং এর কিউ কার্ড এর মত।একটা টপিক থাকে এবং একটি বা দুটি টাস্ক বলে দেওয়া থাকে।সেটির উপর ভিত্তি করে লিখতে হয়।

    আশা করি সকল বিষয় বুঝতে পেরেছেন। না বুঝলে আমাদের চ্যানেলে অনেক ভিডিও আছে সেগুলো দেখে নিতে পারেন।আশা করি কোনো সমস্যা থাকলে সেটি সমাধান হয়ে যাবে।

    IELTS কেন দিবেন?

    দেখেন ভাই, আমরা যে কাজই করি না কেন বা যে টেস্টই দিই না কেন? প্রত্যেকটারই একটা কারণ থাকে। ঠিক তেমনই IELTS দিবারও একটা কারণ থাকে। এখন আমরা জানবো ঠিক কি কি কারণে একজন মানুষ IELTS টেস্ট দেয় বা দিতে চায়।

    • বিদেশে পড়াশুনা করতে চাইলে IELTS দিতে হয়।
    • বিদেশে কাজ করতে চাইলে IELTS দিতে হয়।
    • বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চাইলে IELTS দিতে হয়।

    এখন প্রশ্ন আসতেই পারে, সব দেশে যেতেই কি IELTS দিতে হয়। না, যে সকল দেশ এর প্রথম ভাষা ইংরেজি, সেসকল দেশে যেতে হলে আপনাকে IELTS দিতে হবে।আবার অনেক সময় IELTS ছাড়াও হয়। কিন্তু সেগুলো অনেক কম। এক কথায় IELTS হল বেস্ট উপায় উপরের কাজ গুলো করার জন্য।

    IELTS এর প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন?

    এটি নিয়ে ভাই ব্যাপক লিখা যাবেন। লিখেও শেষ করা যাবে না।আমরা আমাদের ঘরে বসে IELTS পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আপদত এতটুকু বলতে চাই, প্রথমে সব গুলো বিষয় সম্পর্কে একটা ধারণা নিবেন, প্রশ্নের ধরণ, মডিউল, সময় সব কিছু। তারপর সেগুলো সমাধান করার যে উপায় গুলো আছে সেগুলো আয়ত্ত করুন। তারপর প্যাকটিস করার জন্য ক্যামব্রিজ এর বই গুলো পড়া শুরু করে দিন।সোজা হিসাব।

    বাকি হিসাব গুলো অন্য পোস্টে লিখবো। আর হ্যা আমাদের ঘরে বসে IELTS সিরিজে কিন্তু অনেক কিছু পাবেন। ব্লগে একটা ক্যাটাগরি থাকবে এবং ইউটিউবেও একটা ক্যাটাগরি থাকবে। আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে ফ্রিতে ঘরে বসে আপনার IELTS প্রস্তুতি নিশ্চিত করা। যা যা লাগে আমরা ফ্রিতে দিয়ে দিবো। আপনি শুধু নিয়মিত সেগুলো পড়বেন। আর হ্যা।নিজে পড়লেই হবে না।আপনার বন্ধুদের সাথে সেয়ার করুন। ধণ্যবাদ

  • কিভাবে একজন SEO Expert হবেন [ফুল গাইডলাইন]

    দেখেন ভাই, আপনি এই লিখাটি পড়ছেন তার মানে আপনি এসইও সম্পর্কে একটু হলেও জানেন বা কোথাও থেকে শুনেছেন। এখন নিজেকে একজন SEO Expert হিসাবে তৈরী করতে চাচ্ছেন। খুব ভালো। লিখাটি শেষ পযন্ত পড়বেন। আশা করি আপনার SEO Expert ওয়ে উঠার জার্ণিটা সহজ হবে।
    নোট – প্রথমেই এমন ভাবে শুরু করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

    SEO কি?

    SEO এর মানে হল Search Engine Optimization. এক কথায় একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জন এর জন্য উপযোগী করে তৈরী করাই হল SEO. বিভিন্ন রকম সার্চ ইঞ্জিন আমাদের অনলাইনে বিদ্যমান।তাদের মধ্যে Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি খুব জনপ্রিয়।

    SEO কেন করা হয়?

    একটি ওয়েবসাইট এর SEO মূলত করা হয় ফ্রিতে ট্রাফিক পাবার জন্য। ফ্রি ট্রাফিক কি? ফ্রি ট্রাফিক মানে হল,  যে ধরণের ট্রাফিকদের ওয়েব সাইটে ভিজিট করানোর জন্য কোনো টাকা দিতে হয় না। একটা উদাহরণ দেই, এই ধরেন আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবো। তো আমাকে তো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর ভর্তির জন্য যে ওয়েবসাইট সেখানে ভিজিট করতে হবে। এখন আমি ওয়েব সাইট এর লিংক জানিনা। আমি কি করবো?
    আমি অবশ্যই গুগলে যাবো এবং যাবার পর সার্চ দিবো “Rajshahi University Admission”. সার্চ দিবার সাথে সাথে আমার সার্চ লিস্টে অনেক গুলো ওয়েবসাইট এর রেজাল্ট আসবে।আমি সেখান থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার যে ওয়েব সাইট,  সেটাই ভিজিট করবো।তাই নয়কি? ঠিক তাই।

    এখন বলেন এই যে একটা কিওয়ার্ড “Rajshahi University Admission” লিখে আমি সার্চ দিলাম এবং সার্চ দিবার পর তাদের লিংক সার্চ ইঞ্জিন (গুগল) আমাকে দেখালো এবং আমি ভিজিট করলাম। এই পুরো প্রক্রিয়াতে কি কোনো জায়গাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গুগলকে টাকা দিয়েছে? না দেয়নি। তারা তাদের ওয়েবসাইটটাকে SEO Optimized করেছে এবং আমরা সে ওয়েব সাইটটাকে সার্চ দিবার সাথে সাথে দেখতে পেলাম এবং ভিজিট করলাম।ফ্রিতে রাবি ওয়েবসাইট ট্রাফিক পেলো।আর মূলত এই কারণেই এসইও করা হয়।
    যদি বুঝতে না পারেন কমেন্ট করে জানাবেন।

    SEO কিভাবে শিখা শুরু করবেন?

    অনপেজ SEO

    অনপেজ SEO শিখার শুরুতে আপনাকে জানতে হবে অনপেজ SEO কি? অনপেজ SEO বলতে বুঝায় একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর ভিতরের কাজ। যেমন টাইটেল,  ডেসক্রিপশন, মেটা ট্যাগ, ইমেজ অপটিমাইজেশন সহ আরো অনেক কিছু।আমরা সব গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।কিন্তু আজকে না।

    যাই হোক অনপেজ SEO শিখা যখন আপনি শুরু করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই একটি লিস্ট করে নিতে হবে।আসলে অনপেজ SEO এর ভিতরে কি কি কাজ আছে।আপনি যদি কাজ গুলোই না জানেন তাহলে কোনো লাভ নেই।প্রথমে লিস্ট করুন কাজ গুলো তারপর আস্তে আস্তে সেগুলো নিয়ে একটু রিসার্চ করুন। প্যাকটিক্যাল ভাবে প্যাকটিস করার জন্য বিনা খরছে আপনার কম্পিউটারকেই লোকাল হোস্ট বানিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ইস্টল দিন।তারপর প্যাকট্রিস করুন। এখন জেনে নিই অনপেজ SEO এর ভিতর আসলে কি কি আপনাকে জানতে হবে – ( যদি দুই একটা বিষয় ছাড়া পড়ে মন খারাপ করবেন না। প্যাকট্রিস করতে লাগলে ওই গুলো এমনি মনে পড়বে)

    • Key Word Research
    • Keyword Placement
    • Title
    • Heading
    • Meta Tag
    • Image Optimization
    • Internal Link
    • External Link

    প্রত্যেকটা বিষয় সম্পর্কে একদম বিষদ ভাবে আপনাকে জানতে হবে।যদিও বা আমাদের Humayan Rashid ইউটিউব চ্যালেনে এসকল বিষয়ে ফ্রিতে অনেক ভিডিও আছে।দেখে নিতে পারেন।

    অফপেজ SEO

    অনপেজ SEO শেষ হবার পর আপনাকে অফপেজ এসইও সম্পর্কে জানা শুরু করতে হবে।এটি একটি চলমান কাজ।আর অফপেজ SEO এর কাজ কখনও শেষ হয়না।এটি চলমান। আমরা আগে জেনে নেই অফপেজ SEO কি?
    অনপেজ SEO যেমন একটি ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর ভিতরের কাজ, ঠিক অফপেজ SEO তার বিপরীত। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর বাহিরে যাবতীয় কাজকে বলা হয় অফপেজ SEO।সোজা ভাষা।অফপেজ SEO সম্পর্কে যখন আপনি শিখা শুরু করবেন তখন যে যে জিনিস গুলো আপনাকে জানতে হবে সেগুলো নিচে দেওয়া হল।( যদি দুই একটা বিষয় ছাড়া পড়ে মন খারাপ করবেন না। প্যাকট্রিস করতে লাগলে ওই গুলো এমনি মনে পড়বে)

    • ব্যাকলিংক
    • লিংক বিলডিং
    • প্রোফাইল ক্রিয়েশন
    • ওয়েব ২.০ সাবমিশন
    • গেস্ট পোস্টিং ইত্যাদি

    আরো অনেক গুলো বিষয় আছে যেগুলো আপনি এসইও ক্যাটাগরি এর অফপেজ SEO ক্যাটাগরি ফলো করলেই জানতে পারবেন।

    টেকনিকেল SEO

    অনপেজ SEO এবং অফপেজ SEO গেল, এবার আসবে টেকনিকেল SEO.টেকনিকেল SEO বলতে বুঝায় একটি ওয়েব সাইট এর টেকনিকেল যে ব্যাপার গুলো থাকে সেগুলো ঠিক ঠাক আছে কিনা।চলুন জেনে নিই কি কি বিষয় গুলো জানতে হয়।

    • ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর ম্পিড
    • এসএসএল সার্টিফিকেট
    • সাইট স্টাকচার
    • সাইটম্যাপ ইত্যাদি

    আসলে সত্যি বলতে SEO এর কাজের শেষ নেই।আপনাকে দিনের পর দিন প্যাকটিস করতে হবে। রিগুলারিটি মেইনটেন করে শিখতে শুরু করলে ১০০% আপনি SEO Expert হয়ে যাবেন। আজকে এপযন্তই।সবাই ভালো থাকবেন।

  • ড্রপশিপিং বিজনেস কী? ড্রপশিপিং বিজনেস A টু Z গাইডলাইন

    কি অবস্থা সবার।আশা করি সবাই ভালো আছেন? আমিও ভালো আছি।আমি হুমায়ন। বিদ্যালয় ব্লগ এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। যে যেখানে থেকে আমার এই লিখাটি পড়ছেন আশা করি নিরাপদ আছেন। আর এই পোস্টে আমরা ড্রপ শিপিং সম্পর্কে একদম বিস্তারিত আলোচনা করা।আমরা জানবো ড্রপ শিপিং কি, কিভাবে কাজ করে।বাংলাদেশ থেকে কিভাবে ড্রপ শিপিং করে ইনকাম করা যায় ইত্যাদি বিষয় নিয়ে।এটি আমার ড্রপ শিপিং নিয়ে করা প্রথম পোষ্ট। যদিও বা শুরু সবে।আমরা আস্তে ধীরে পুরো বিষয় গুলো আলেচনা করবো।এজন্য প্রতিটা পোস্ট খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    ড্রপ শিপিং কি?

    ড্রপ-শিপিং হলো একটি eCommerce Business Model, এই পদ্ধতিতে একজন বিক্রেতা তার পাইকারি বিক্রেতা অথবা সরবরাহকারীর মাধ্যমে ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে থাকে। বর্তমানে অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করার মাধ্যম হিসাবে ই-কমার্স সাইট গুলো সম্পর্কে সবাই জানি, ই-কমার্স সাইট গুলো ড্রপ-শিপিং পদ্ধতিতে তাদের সেবা প্রদান করে থাকে। এই পদ্ধতিতে ব্যবসা করতে বিক্রেতাকে পণ্য মজুদ করে রাখার প্রয়োজন হয় না, কারণ পন্য মজুদ রাখার কাজটি পাইকারি বিক্রেতা অথবা সরবরাহকারী করে থাকে। আর পাইকারি বিক্রেতা অথবা সরবরাহকারীই ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে থাকে। ই-কমার্স সাইট গুলো (বিক্রেতা) এর দায়িত্ব হলো কাস্টমারের (ক্রেতা) কাছ থেকে অর্ডার সংগ্রহ করা এবং Wholesaler(পাইকারি বিক্রেতা) অথবা Supplier (সরবরাহকারী) এর কাছে কাস্টমারের যাবতীয় তথ্য যেমন- নাম, ঠিকানা ফোন নাম্বার ইত্যাদি পৌঁছে দেয়া।

    ড্রপ শিপিং কিভাবে কাজ করে?

    একটু আগেই যে বিষয়টি বললাম, ধরুন আপনি ড্রপ-শিপিং করবেন। সেক্ষেএে আপনার মূল কাজটা কি।কাজটা হল – আপনার ওয়েব সাইট বা পেজ থেকে পণ্যর অর্ডার নেওয়া। অর্ডার নিবার পর সেই ক্রেতার তথ্য যেমন – নাম, ইমেইল, ফোন নম্বার, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য আপনার পণ্যর সেলার বা সরবরাহ কারীর কাছে পৌছে দিবেন। তারপর প্রোডাক্ট প্যাকেজিং থেকে শুরু করে আরো যে সব কাজ থাকে সেগুলো শেষ করে প্রোডাক্টটি কাস্টমার এর হাতে পৌছে দেওয়ার পযন্ত কাজটি করে ওই প্রোডাক্ট এর  সেলার বা সরবরাহকারী।প্রোডাক্ট হাতে পাবার পর কাস্টমার যখন পেমেন্ট করবে তখন আপনার লাভের যে ভাগটি সেটি আপনি পেয়ে যাবেন। আশা করি ড্রপ শিপিং এর পুরো প্রোসেটটা বুঝতে পেরেছেন।তারপরও না বুঝলে ভিডিওটি অবশ্যই দেখবেন।

    বাংলাদেশ থেকে ড্রপ শিপিং কিভাবে শুরু করবেন?

    দেখেন বাংলাদেশ থেকেও কিন্তু ড্রপ শিপিং আপনি করতে পারবেন। আমি কোনো বিদেশী ওয়েব সাইট এর কথা বলবো না।আপনি যদি চান তাহলে BD SHOP এর সাথে আপনার ড্রপ শপিং শুরু করে দিতে পারেন। এক্ষেএে আপনারকে যে কাজ গুলে করতে হবে সেগুলো হল –

    • প্রথমে আপনি DropShopBD ওয়েব সাইটে যাবেন।
    •  যাবার পর আপনি সেখানে ড্রপ শপিং করার জন্য একটা অ্যাকাউন্ট করবেন।
    • অ্যাকাউন্ট করার পর সেটিং এ গিয়ে আপনার যাবতীয় তথ্য যেমন নাম, ঠিকানা, পেমেন্ট মেথড সহ আরো যাবতীয় তথ্য ঠিক মত ফিলাপ করবেন।
    • তারপর তাদের প্যাকেজ ক্রয় করতে হবে।
    •  প্যাকেজ ক্রয় করার জন্য পেমেন্ট করার ১২ ঘন্টার মধ্যে আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে।
    • তারপর আপনি প্রোডাক্ট সিলেক্ট করে, সেই প্রডাক্ট এর মার্কেটিং শুরু করে আপনার ড্রপ শিপিং শুরু করতে পারেন।

    এগুলো তো পড়লেন। আপনি নিচের ভিডিওটি দেখেবেন।আশা করি পুরো বিষয়টা আরো ক্লিয়ার হয়ে যাবেন।

    কিভাবে প্রোডাক্ট প্রোমোট করবেন?

    দেখেন ভাই, প্রোডাক্ট প্রোমোট করার বিভিন্ন উপায় আছে।আমি বিস্তারিত কিছু এই পোস্টে আলোচনা করবো না।আমি শুধু কয়েকটি বিষয় লিস্ট আকাড়ে লিখছি। অন্য কোনো একট্ পোস্টে বিস্তারিত লিখবো।

    • সোসিয়াল নেটওয়ার্ক – আপনি চাইলে বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্ক যেমন – ফেসবুক, টুইটার, ইস্টাগ্রাম, লিংডিন ইত্যাদি এর মাধ্যেমে প্রোমোট করতে পারেন।
    • ওয়েবসাইট – আপনি চাইলে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে সেখনে ড্রপ শিপিং করতে পারেন।

    আরো বিভিন্ন উপায় আছে, যা আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করবো।

    ইনকাম কতটুকু হতে পারে?

    কতটুকু ইনকাম হবে বা ইনকাম হবে কিনা এটি আসলে পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার উপর। দেখেন যে যে কাজই করুক না কেন, যদি সেটি ঠিক মদ করে তাহলে সেখানে থেকে ১০০% প্রোফিট আপনি পাবেন। যদি আপনি কাজ ঠিক মত করেন তাহলে আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিচ্ছি আপনি ১০০% ইনকাম করতে পারবেন। হয়তো প্রথমে একটু কম হবে।কিন্তু আস্তে আস্তে সেটি বাড়বে।

    এতক্ষণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধণ্যবাদ। যদি কোনো কিছু বুঝতে সমস্যা হয় বা কোনো কিছু বলার থাকে তাহলে কমেন্ট করবেন।আর হ্যা ভিডিওটি দেখবেন।

  • কিভাবে WordPress ইনস্টল দিবেন [নতুনদের জন্য]

    হ্যালো,
    কি অবস্থা সবার? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি হুমায়ন। আজকের ব্লগে আপনাকে স্বগতম। আমি আজকে থেকে ব্লগ লিখার সময় কোনো প্রকার নাটক করবো না। নিয়ত করেছি। যতটুকু দরকার প্রয়োজনীয় জিনিস লিখবো। কারণ আপনারা যে ধৈর্য্য ধরে পড়েন, এতেই অনেক। অযথা সময় নষ্ট হয় এমন কিছু না লিখার চেষ্টা করবো।

    যাই হোক আজকের ব্লগে আমরা শিখবো কিভাবে WordPress ইস্টল করবেন। আমাদের এখনকার সময়ে ওয়েবসাইট তৈরীর সব চাইতে সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি CMS (Content Management System) হল WordPress. যারা এখন ভাবছেন CMS কি? তাদের জন্য অন্য একটি লিখায় বিস্তারিত আলোচনা করবো। এই লিখায় আমাদের যেটা মূল টপিক সেটি নিয়ে বিস্তারিত শুরু করি।

    WordPress কিভাবে ইস্টল দিবেন

    আমার দেখানো নিচের প্রত্যেকটা স্টেপ গুলো একটু গুরুত্ব সহকারে দেখুন। আশা করি শেষ পযন্ত যদি দেখেন তাহলে খুব সহজেই শিখে যাবে কিভাবে WordPress ইস্টল দিতে হয়।
    আমরা সবাই জানি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরী করতে হলে আমাদের একটি ডোমেইন লাগে এবং হোস্টিং লাগে। আমি আমার একটি ডোমেইন ব্যবহার করবো এবং হোস্টিং এর জন্য আমার যে নেমচিপ থেকে হোস্টিং কিনা আছে সেটি ব্যবহার করবো।

    ১। প্রথমে আপনি আপনার হোস্টিং এ লগিন করুন। আমি আমার নেমচিপ হোস্টিং এ লগিন করেছি। প্রত্যেকটা সেয়ার্ড হোস্টিং এর ড্যাসবোর্ড দেখতে একই রকম।

    ২। লগিন করার পর আপনি একটু স্কল করলেই Softaculas Apps Instalation নামে একটি অফশন পাবেন এবং সেটার মধ্যে WordPress দেখতে পাবেন।সেখানে ক্লিক করুন।

    ৩। ক্লিক করার পর আপনাকে WordPress ইস্টল দিবার পেজে নিয়ে যাবে।এখানে আপনি প্রথমে WordPress ইস্টল দিবার অফশন পাবেন এবং একটু নিচে নামলে আপনার হোস্টিং এ কয়টা সাইটে WordPress ইস্টল দেওয়া আছে সেগুলো দেখাবে।

    ৪। আমরা উপরের Install Now অফশনে ক্লিক করবো।
    ৫। Install Now এ ক্লিক করার পর WordPress ইস্টল দিবার পেজে নিয়ে চলে আসবে। তারপর এখানে নিচের ছবির মত কিছু ফর্ম থাকবে। প্রত্যেকটা ফর্ম এর বিস্তারিত নিচে দেওয়া হল, একটু পড়ুন।

    • Choose Intalation uRL – এখানে আপনি ড্রপ ডাউন মেণ্যুতে ক্লিক করে যে ডোমেইনে ইস্টল দিবেন।সে ডোমেইনটা সিলেক্ট করবেন। আর হ্যা তার আগে Choose Protocol এর জায়গাতে https:// টা সিলেক্ট করবেন। আর হ্যা Instalation Directory তে যদি কিছু লিখা থাকে তাহলে অবশ্যই সেটি রিমুভ করবেন। মানে এক কথায় ফাকা রাখবেন।
    • Site Setting – এর জায়গাতে যে যে বিষয় গুলো দিতে হবে।
    • Site Name – এখানে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর নাম দিবেন।
    • Site Description – এখানে আপনার সাইট এর ছোট একটি হেডলাইন দিবেন। একটা বাক্য।পরের দুটি অফশন যেমন আছে তেমনই থাক।

    তারপর Admin Account setting মানে ওয়েবসাইট এর অ্যাডমিন এর যে সেটআপ সেটি সেট করতে হবে।

    • User Name – এখানে ওয়েবসাইটে লগিন করার জন্য যে ইউজার নাম সেটি দিবেন।আমার ক্ষেএে আমি দিবো Humayan
    • Admin Password – এখানে লগিন করার জন্য যে পাসওয়ার্ড সেটি দিবেন।
    • Admin Email – এখানে আপনার ইমেইল দিবেন।
    • তারপর Language Settings, Plugines, Theme, database ইত্যাদি এগুলো যেমন যা আছে।তেমন থাকুক।
    • তারপর সব ঠিক থাকলে Install এ ক্লিক করুন।

    ৬। তারপর একটু সময় লাগবে। অপেক্ষা করুন।

    ৭। তারপর দেখবেন ইস্টল হয়ে যাবে। এখানে দুইটি লিংক থাকবে।একটা ফ্রন্ট ওয়েবসাইট এর লিংক এবং আরেকটা অ্যাডমিন লিংক থাকবে।

    যাই হোক, এভাবে আপনি খুব সহজে WordPress ইস্টল দিতে পারবেন। আর হ্যা যদি কোনো সমস্যা হয়, নিচের ভিডিওটা দেখেন। আশা করি সমাধান হয়ে যাবে। ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন। বন্ধুদের সাথে সেয়ার করতে ভুলবেন না।