Category: Study Abroad

  • বিদেশ আসার পূর্বে কোন কাজ গুলো শিখে আসবেন এবং কোথায় শিখবেন

    আস্সালামুআলাইকুম,
    কি অবস্থা সবার? আসা করি সবাই ভালো আছেন। আমি হুমায়ন রাশিদ।আপনারা আমাকে অনেকে চিনেন হয়তো। না চিনলে দরকার নাই। শুধু মাত্র আর্টিকেল পড়েন। কিছু শিখে যান। তাহলেই হবে। যাই হোক, আমরা যারা দেশের বাহিরে পড়াশোনা করতে আসি, তাঁদের সবার টার্গেট থাকে পড়াশোনা এর পাশাপাশি একটা জব করা। কিন্তু জব কি এত সোজা, বলেন?

    জব পাইতে একটু সময় লাগেই। কিন্তু আপনি দেশ থেকেই যদি কোনো ডিজিটাল স্কিল শিখে বিদেশ আসেন তাহলে আপনি কিন্তু খুব সহজে ভালো একটা টাকা ইনকাম করতে পারবেন প্রথম অবস্থায়। আমি আজকের ব্লগে আলোচনা করবো আসলে বিদেশ পড়াশুনা করতে আসার আগে কোন স্কিল গুলো শিখে আসা উচিত। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    ডিজিটাল স্কিল কি?

    দেখেন স্কিল দুই প্রকার। নম্বর ওয়ান ফিজিক্যাল স্কিল এবং নম্বর টু ডিজিটাল স্কিল। ফিজিক্যাল স্কিল বলতে আমরা কি বুঝি? ফিজিক্যাল স্কিল বলতে আমরা বুঝি ওই সকল স্কিল যেই গুলা আসলে করতে আমাদের কায়িক পরিশ্রম করতে হয়। আর ডিজিটাল স্কিল হলো এমন সকল স্কিল যেই গুলা আমরা আমাদের ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার করে করতে হয়। আসা করি বুঝতে পেরেছেন।

    কোন কোন স্কিল গুলো শিখতে পারেন?

    • ডিজিটাল মার্কেটিং – ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি, যে কোনো জিনিস ডিজিটালি প্রমোট করা। এই সেক্টর টার ডিমান্ড দিনে দিনে অনেক বাড়ছে। আপনি চাইলে খুব সহজে এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর স্কিলটা শিখতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক মাইক্রো সেক্টর আছে যেমন Meta Marketing, Google Ads, YouTube Marketing ইত্যাদি। যে কোনো একটা ফোকাস করে আসতে আসতে শিখতে পারেন।
    • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট – ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মানে হলো ওয়েবসাইট তৈরী করা। আপনি চাইলে খুব সহজে WordPress শিখতে পারেন। একটু সময় লাগবে কিন্তু যদি একবার জিনিসটা শিখতে পারেন ডিমান্ড অনেক। আপনি আবার যে কোনো একটা ল্যাংগুয়েজ শিখতে পারেন। যেমন – HTML, CSS, Java, PHP, Laravel ইত্যাদি।
    • গ্রাফিক্স ডিজাইন – যদিও বা Canva আসার পর গ্রাফিক্স ডিজাইন মার্কেট খারাপ। কিন্তু তারপরও আপনি এই স্কিল টা শিখতে পারেন। অনলাইন এর পাশাপাশি আপনি অফলাইনেও ভালো কাজ পাবেন।
    • ব্লগিং – ব্লগিং হলো সব চাইতে স্মার্ট একটা কাজ বলে আমি মনে করি। আপনি যদি ব্লগিং শিখেন তা হলে আপনি এক ডিলে অনেক গুলো পাখি মারতে পারবেন। কারণ আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে আপনি কনটেন্ট রাইটিং টা শিখে যাবেন, ওয়েবসাইট তৈরী করাটা ও শিখে যাবেন এবং আপনি আপনার ব্লগে ট্রাফিক আনার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এবং SEO টাও শিখে যাবেন। আর একটা বিষয় বলি আপনি যদি আপনার ব্লগটাকে ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে পারেন তাহলে আপনি ব্লগিং এর পাশাপাশি Freelancing ও করতে পারবেন।
    • ভিডিও এডিটিং – ভিডিও এডিটিং একটা ক্রিয়েটিভ কাজ। আপনি এই স্কিলটা যদি একবার শিখেন তাহলে আপনি অনেক উপায়ে ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তু এই স্কিলটা শিক্ষার জন্য আপনাকে একটু ক্রিয়েটিভ হতে হবে।
    • SEO – SEO বা Search Engine Optimization মানে হলো আপনি কোনো ওয়েবসাইটকে Search Engine যেমন Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি এর জন্য অপটিমাইজ করবেন। যাতে করে ওই ওয়েবসাইট এ ট্রাফিক আসে। এটি অনেক ডিমান্ড এর একটি কাজ। শিখতে একটু সময় লাগবে কিন্তু ডিমান্ড অনেক।

    কি ভাবে শিখবেন

    কি ভাবে উপরে দেওয়া স্কিল গুলো শিখবেন। আসলে শিখতে চাইলে ২ টা রাস্তা আছে। ১ নম্বর রাস্তা হলো টাকা দিয়ে কোনো কোর্স করা এবং ২ নম্বর রাস্তা হলো YouTube থেকে শিক্ষা। আমি বলবো না আপনি টাকা দিয়ে কোর্স করেন। আপনি চাইলে YouTube এ অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন যে গুলো দেখে খুব সহজে আপনি এইস্কিল গুলো শিখতে পারবেন। আসা করি বুঝতে পেরেছেন।

    কি ভাবে ইনকাম করতে পারেন?

    এখন মূল কথাই আসি, আপনি এই সকল স্কিল শিক্ষার পর কি ভাবে ইনকাম করবেন।আসলে অনলাইন ইনকাম করার অনেক উপায় আছে। আপনি যখন একটা কাজ প্রপার ভাবে শিখবেন তখন অনেক রাস্তা আপনার চোখের সামনে আসবে। আপনাকে শুধু মাত্র সেই রাস্তা ঠিক করে কাজ করে যেতে হবে এবং অপেক্ষা করতে হবে। তারপরও আমি আপনাদের কয়েকটা রাস্তা নিয়ে নিচে আলোচনা করছি। আসা করি কাজে লাগবে।

    • অনলাইনে কাজ করে – আপনি চাইলে আপনার শিক্ষা স্কিল দিয়ে অনলাইন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করতে পারবেন। যেমন – Fiverr, Upwork, Freelancer.Com, গুরু ইত্যাদি।একটা কথা এখনই বলে রাখি, সময় দিতে হবে। সময় না দিলে কিন্তু হবে না।
    • অফ লাইনে কাজ করে – আপনি অনলাইন এর পাশাপাশি যদি চান অফলাইনে ও কাজ পাবেন। আমার এখন অনলাইন এর থেকে অফলাইনে ক্লায়েন্ট বেশি। এই জন্য আপনি স্কিলটা শিক্ষার পর একটা ভালো সিভি বানিয়ে বিভিন্ন কোম্পানিতে এপ্লাই করতে পারেন।
    • প্রজেক্টে কাজ করে – বিদেশে আপনি বিভিন্ন রকম প্রজেক্ট বেস কাজ পাবেন। যদি আপনার নেটওয়ার্ক ভালো হয় তাহলে আপনি খুব সহজে ওই সকল প্রজেক্ট এ কাজ করার সুযোগ পাবেন।

    আসা করি আপনারা যারা বিদেশ আসতে চাচ্ছেন বা আসছেন কিন্তু কোনো জব পাইতেছেন না তারা আমার আজকের এই লিখা পরে অনেক কিছু জানতে পারবেন। আপনি যদি দেশ থেকেই ঠিক মতো শিখে আসতে পারেন তাহলে আমি ১০০% কন্ফার্ম যে বিদেশ এসে চাকুরী এর জন্য চিন্তা করতে হবে না।

  • উচ্চ শিক্ষার জন্য দুবাই যা যা জানতে হবে

    আস্সালামুআলাইকুম,
    আমি হুমায়ন রাশিদ। আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। উচ্চ শিক্ষার জন্য দুবাই এখন অন্য রকম একটি দেশ। বিশেষ করে আমি যতটুকু বুঝলাম, আমরা সবাই যারা দুবাই বেছে নিতেছি তাঁদের সবারই একই প্ল্যান সেইটা হলো ক্রেডিট ট্রান্সফার করে ভালো কোনো দেশ যেমন আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ এর ভালো কোনো দেশ চলে যাওয়া। এর আমরা অনেক এই এডমিশন এর প্রসেসটা ঠিক মতো না জানার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ি। এজন্য আমি আজকের ব্লগে দুবাই এ এডমিশন নেওয়া থেকে শুরু করে একদম ভিসা পাবার মুহূর্ত পর্যন্ত কি কি করতে হয় সেই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করি নতুন দেন অনেক কাজে লাগবে। চলুন শুরু করা যাক।

    উচ্চ শিক্ষার জন্য দুবাই

    আপনি দুবাই তে যে কোনো ধরণের কোর্স করতে পারবেন। আমি বাংলাদেশ এর পরিবেশ এ যদি বলি, তাহলে আপনি ইন্টার শেষ করেই দুবাই তে আপনার জার্নি শুরু করতে পারেন। দুবাইতে কি কি কোর্স করা যায়।

    • অনার্স
    • মাস্টার্স
    • পি এস ডি
    • ডিপ্লোমা
    • শর্ট প্রফেশনাল কোর্স ইত্যাদি

    এ ছাড়াও আপনি চাইলে গুগল এ রিসার্চ করতে পারেন।

    দুবাই এ স্টুডেন্ট ভিসা করার নিয়ম:

    ইউনিভার্সিটি সিলেকশন

    কোর্স এর ধরণ টা সিলেক্ট করার পর আপনার প্রথম যে কাজ সেটি হলো ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করা। আমরা অনেকই এই কাজটি ঠিক মতো না করতে পাড়ার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ি। আপনি এই স্টেপ এ গুগল এ রিসার্চ করতে পারেন অথবা বাংলাদেশ এ অনেক কন্সালটেন্সি ফার্ম আছে, তাঁদের থেকে হেল্প নিতে পারেন। এর ভাই ইনফরমেশন নিতে কেউ টাকা নেয় না। আপনি চাইলে আমার Overseas পেজ এ গিয়ে Apply Now বাটনে ক্লিক করে সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে ফর্মটা ফিলাপ করে রাখতে পারেন। আমার টীম এর যে কেউ আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
    যাই হোক ধরে নিলাম আপনার ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করা শেষ এবং আপনি এখন সেই ইউনিভার্সিটি তে আপ্লাই করতে চান।

    ডকুমেন্টস

    এখন আসি ডকুমেন্টস এর বিষয় এ। আপনার এই পর্যন্ত যত গুলা সার্টিফিকেট আছে সব গুলা স্ক্যান করে রাখবেন। আমি নিচে সব গুলার লিস্ট দিয়ে দিতেসি, যদিও বা দুবাইতে স্টুডেন্ট ভিসা এর জন্য তেমন বেশি ডকুমেন্টস লাগে না।

    • পাসপোর্ট
    • পাসপোর্ট সাইজও ছবি
    • এসএসসি সার্টিফিকেট
    • এইচএসসি সার্টিফিকেট
    • অনার্স সার্টিফিকেট [কোর্স যদি মাস্টার্স হয়]

    নোট : দুবাই তে স্টুডেন্ট ভিসা এর জন্য ব্যাংক সলভেন্সি , IELTS লাগে না।

    ইউনিভার্সিটি এপ্লিকেশন

    আপনার সব কিচু রেডি, এখন আপনি ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করবেন। এই জন্য আপনি ইউনিভার্সিটি এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে নিজে ও এপ্লাই করতে পারেন অথবা আপনি বাংলাদেশ এর যে কোনো এজেন্সি এর কাছে থেকে সহযোগিতা নিতে পারেন। আর একটা কথা, দুবাই এর স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং করতে কোনো এজেন্সি কোনো চার্জ করে না। আপনার যা যা খরচ হবে সব কিছু আপনার অফার লেটার এ লিখা থাকবে।

    ভিসা আপ্লাই

    ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করার পর ৫০% বা এমন একটা এমাউন্ট জমা দিয়ে ভিসা এর জন্য এপ্লাই করবেন। ভিসা এর এপ্লাই করতে ১৫০০ ডলার লাগে। এপ্লাই করার ১৫ থেকে ২৪ দিনের ভিতর আপনার ভিসা চলে আসবে। এই পর্যন্ত দুবাইয়ে স্টুডেন্ট ভিসা এর কোনো রিজেকশন নাই।

    ফ্লাইট

    ভিসা পাইলেন, এখন আপনার যে কাজ সেইটা হলে ফ্লাইট এর টিকিট কাটা। আপনি চেষ্টা করবেন টিকিট ২০ দিন আগে কাটার। তা হলে আপনার খরচ ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার এর মধ্যে হয়ে যাবে।

    এই হলো পুরো বিষয়। খরচ এর বিষয় একটু কম বেশি হতে পারে। কিন্তু নিয়ম একই। আসা করি, বুঝতে পেরেছেন। দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কোনো কিছু জানার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন অথবা আপনি আমাকে WhatsApp এ মেসেজ করতে পারেন।

    দুবাই স্টুডেন্ট ভিসার ফুল প্রসেস

  • মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসার পরিপূর্ণ গাইডলাইন

    মাল্টা ইউরোপের ছোট্ট একটি দ্বীপ রাস্ট্র যার আয়তন ৩১৬ স্কয়ার কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার এর কাছাকাছি। এই ছোট্ট দেশকে ইউরোপে প্রবেশের প্রবেশদ্বার বলা হয়ে থাকে। আমরা অনেকে চাই মাল্টাতে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশুনা করতে। আমি জানিনা কত জন পড়াশুনা করার জন্য মাল্টা পাড়ি জমায়।সবারই একই উদ্দেশ্য থাকে মাল্টাতে স্টুডেন্ট ভিসায় প্রবেশ করে পরবর্তীতে ইউরোপের অন্য যে কোনো ভালো দেশে পাড়ি জমানো। এজন্য আজকে মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আমার এই লিখা। আমি আজকের লিখায় মাল্টা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

    মাল্টা

    মাল্টা সম্পর্কে যদি বলতে চাই তাহলে প্রথমেই বলতে হবে এটি একটি দ্বীব রাষ্ট্র। মাল্টার আয়তন মাএ ৩১৬ স্কয়ার কিলোমিটার। এই ছোট্ট আয়তন এর দেশের মোট জনসংখ্যা ৩ লক্ষ ৫০ হাজার। মাল্টার মুদ্রা ইউরো এবং সব চাইতে মজার বিষয় হল মাল্টায় মানুষজন যোগাযোগ এর জন্য ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে। ওহ্ হ্যা আর একটি কথা বলতে ভুলে গেছি, সেটি হল মাল্টা একটি ইউরোপিয়ান দেশ।মানে সেনজেন ভুক্ত ২৭ টি দেশের মধ্যে মাল্টা একটি। মাল্টা ট্যুরিজম এর জন্য বিখ্যাত। মানে দ্বীপ রাষ্ট হওয়াতে এখানে অন্য দেশের মানুষজন ঘুরাফিরা করার জন্য আসে।মাল্টা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হওয়ার পাশাপাশি তারা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারে অনেক কাজ করে থাকে ।

    মাল্টায় উচ্চ শিক্ষা

    মাল্টা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার জন্য তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যোগ্যতা পূরণ, স্টুডেন্ট ভিসা হাতে পাওয়া, ভর্তি হওয়ার জন্য যা যা কাগজ পত্র লাগবে এবং মাল্টাতে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার জন্য প্রাসঙ্গিক যা যা বিষয় জানা প্রয়োজন তার সবটুকুই আমরা আজকে আপনাকে জানাবো।

    মাল্টায় কেন পড়াশোনা করবেন?

    • পড়াশোনার পাশাপাশি ট্যুরিজম ও বিজনেসের জন্য সেরা কয়েকটি স্থানের মধ্যে একটি হচ্ছে মাল্টা।
    • এখানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডিগ্রি প্রদানকারী অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
    • তুলনামূলকভাবে স্বল্প টিউশন ফি দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।
    • স্বল্প খরচে বাস করতে পারবেন।
    • শিক্ষা খাতে নিত্যনতুন বৈচিত্র্য দেখতে পাবেন।
    • পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ ও ব্যবসা করার সুযোগ পাবেন।
    • অনেক ধরনের কোর্স থেকে নিজের পছন্দমতো কোর্স বাছাই করে পড়তে পারবেন।

    মাল্টায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য যোগ্যতা

    দেখেন যে দেশেই আপনি পড়াশোনার জন্য যেতে চান না কেন, আপনার নূন্যতম কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে। চলুন দেখে নেই কি কি যোগ্যতা থাকলে আমরা মাল্টাই স্টুডেন্ট ভিসা পেতে পারি।

    • আপনাকে বাংলাদেশ এর পাসপোর্টধারী নাগরিক হতে হবে।
    • অনার্স যদি করতে চান তাহলে আপনার HSC শেষ করতে হবে।
    • মাস্টার্স যদি করতে চান তাহলে বাংলাদেশ এর যে কোনো ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স এর সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
    • অনেক সময় IELTS লাগে। আবার না ও লাগতে পারে।
    • ব্যাংক সল্ভন্সি থাকতে হবে।

    মাল্টায় কিভাবে ভর্তি হবেন

    মাল্টার যে কোনো ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে হলে আপনি দুইটা রাস্তা ফলো করতে পারেন।

    • নিজে নিজে এপ্লিকেশন
    • এজেন্ট দিয়ে এপ্লিকেশন

    নিজে নিজে এপ্লিকেশন – আপনি যদি নিজে নিজে এপ্লিকেশন করতে চান তা হলে আপনাকে প্রথমে ইউনিভার্সিটি খুজে বের করতে হবে। তারপর আপনি নিজে তাঁদের এডমিশন পোর্টালে গিয়ে নিজের জন্য এপ্লিকেশন সাবমিট করতে পারবেন। তারপর ইউনিভার্সিটি আপনাকে আপনার সাথে আপনার দেওয়া ইমেইল এ যোগাযোগ করবে।

    এজেন্ট দিয়ে এপ্লিকেশন – এইটা বাংলাদেশ এর চলমান একটা রাস্তা। মাল্টা নিয়ে কাজ করে এমন যে কোনো এজেন্সি এর সাথে যোগাযোগ করে আপনি তাঁদের মাধ্যমে এপ্লিকেশন করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে একটা বিষয় আপনাকে সব সময় মাথায় রাখতে হবে যে, এজেন্সি যাতে ট্রাস্ট করার মতো হয়।

    যেভাবে ভিসার জন্য আবেদন করবেন

    মাল্টার ভিসার আবেদন আপনি নিজে ও করতে পারবেন। আবার যদি চান যে কোনো এজেন্সি এর সহযোগিতা নিবেন সেইটা ও করতে পারেন। আমি পুরো স্টেপ টা নিচে বুঝাই বলছি।

    • প্রথমে আপনি VFX Global Malta Office এ এপয়েন্টমেন্ট নিবেন।
    • তারপর ভিসা এর ফর্ম ফিলাম করবেন।
    • আপনার সকল ডকুমেন্টস যদি রেডি থাকে তাহলে আপনার VFX Global এ পাওয়া ডেট এ গিয়ে আপনি আপনার ডকুমেন্টস জমা দিবেন।
    • VFX Global এ তাঁদের সার্ভিস চার্জ নিবে। আমি যখন করে ছিলাম তখন ১৭০০০ টাকার মতো লেগেছিল।

    মাল্টায় বসবাসের অবস্থা কেমন?

    মাল্টার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দল, গেইম ক্লাব, জিমসহ অন্যান্য ক্লাবের সাথে কাজ করতে পারবেন। সেখানে আপনি বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলা ও অ্যাক্টিভিটির সাথে জড়িত থাকার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়েই বিভিন্ন ধরণের সঙ্গীত, নাচ ও সাংস্কৃতিক ক্লাব রয়েছে। বসবাসের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে আপনি চাইলে প্রত্যেক মাসে ৯০০০ টাকা থেকে ২০০০০ টাকা খরচ করে ভালোমানের স্টুডেন্ট হোস্টেলে থাকতে পারবেন। প্রাইভেট ফ্ল্যাটে থাকতে চাইলে প্রতি মাসে আপনাকে গুনতে হবে ২০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত। প্রত্যেক মাসে শুধুমাত্র খাবার খরচ পড়বে ১০০০০ টাকার মতো।

    আমি জানিনা কত টুকু আপনাদের বুঝাতে পারলাম। আমার ব্লগে আরো অনেক লিখা আছে। আপনি এইটা পরে যদি কিছু বুঝতে না পারেন, তাহলে অবশ্যই ঐগুলা পড়ে নিবেন। আশা করি সব বুঝতে পারবেন। আর আমার চ্যানেল ফলো করতে পারেন।

  • দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

    কি অবস্থা সবার। আসা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। যায় হোক, বর্তমান সময়ে দুবাইয়ে Higher Study নিয়ে ব্যাপক কথা শোনা যাচ্ছে। তারই জন্য যারা দুবাই যেতে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে চাচ্ছেন তাঁদের অনেক প্রশ্ন থাকে মনের। আমি আশা করি আজকের এই লিখায় অনেক প্রশ্ন এর উত্তর দিয়ে দিবো। তারপরও যদি কিছু বাদ পরে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। তাহলে অন্যরাও সেটি দেখে বিষয়টা জানতে পারবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের দুবাই স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর।

    দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসা রেশীয় কেমন?

    উত্তর – দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসা রেশীয় ১০০%. এই ২০২৪ সালের এই পর্যন্ত কোনো রিজেকশন নাই।

    দুবাই স্টুডেন্টদের জন্য পার্ট টাইম জব Opportunity কেমন?

    উত্তর – ভালো, খারাপ বলা যাবে না । কিন্তু বিষয় হলো আপনি তো গিয়েই জব পাবেন না। কারণ আপনি স্টুডেন্ট। এই জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে এবং স্কিল ডেভেলপ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনি যেহুতু স্টুডেন্ট সেহুতু আপনার সাথে যায় এমন কোনো স্কিল ডেভেলপ করুন।

    দুবাই থেকে কি ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অন্য কোনো ভালো দেশে যাওয়া যায়?

    উত্তর – জি, আপনি যেতে পারবেন। সেই জন্য আপনাকে অনেক কিছু করতে হবে। আপনি আমার দুবাই টু USA এই ভিডিওটি দেখতে পারেন।

    দুবাইতে থাকতে এবং খেতে মাসিক খরচ কেমন?

    উত্তর : দুবাইতে থাকতে এবং খেতে মাসিক পড়বে ৭০০ – ৯০০ দিরাম। কম বেশি হতে পারে অবস্থান ভেদে। কিন্তু আপনি যেহুতু স্টুডেন্ট সেহুতু আপনাকে অবশ্যই তেমন পরিবেশেই থাকতে হবে।dapibus leo.

    দুবাইতে পড়তে কেমন খরচ হতে পারে?

    উত্তর : দুবাইতে পড়তে আপনার টিউশন ফি দিতে হবে ৪০০০ ডলার এবং আপনার ভিসা, ইমারত আইডি অন্য খরচ সহ আরো ১৫০০ ডলার। মানে টোটাল ৫৫০০ ডলার।

    ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অন্য দেশে যাবো, কোন টায় ভর্তি হলে ভালো হবে?

    উত্তর : আপনি IAU বা BEC এর যে কোনো পার্টনার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন। যেমন – Vibe Education, G-Tec University, ASTI Academy, SuccessPoint

    বাংলাদেশ টু দুবাই বিমান ভাড়া কত?

    উত্তর : বাংলাদেশ তো দুবাই বিমান ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা থেকে শুরু। আপনার যত যাবার দিন এগিয়ে আসবে ততো ভাড়া বাড়বে। এই জন্য আপনি যে ডেটে যাবেন তার ১৫ থেকে ২০ দিন আগে টিকিট কাটবেন।

    দুবাই যাবার সময় টাকা কি ভাবে নিয়ে যাবো?

    উত্তর : দুবাই যাবার সময় কোনো ডলার নিয়ে যাবার দরকার নাই। লস হবে। দেশ থেকে আপনি টাকা দিরাম করে নিয়ে যাবেন। এতে করে অনেক টাকা বাঁচবে আপনার।

    বাংলাদেশ এবং দুবাই immigration কেমন হতে পারে?

    উত্তর : দেখেন দেশ ভেদে আপনার Immigration এর প্রসেস একেক রকম। বাংলাদেশ এর Immigration সব সময়ই একটু সমস্যাজনক। কিন্তূ দেশ তো আমাদের তেমন কিছু মনে হয় না। কিন্তূ দেশ এর বাহিরে Immigration কিন্তূ তেমন কষ্ট জনক না। যাই হোক আপনি আমার Dubai Immigration এবং Bangladesh Immigration এর যে দুইটা ভিডিও আছে সেইটা দেখে নিতে পারেন।

    দুবাই কি আমার জন্য ঠিক সিদ্ধান্ত কিনা?

    উত্তর : দেখেন আপনি কোন উদ্দেশ্য দুবাই আসছেন এইটা একমাত্র আপনি নিজে জানেন। কিন্তূ তারপরও অনেক বিষয় আছে। আপনি আমার দুবাই কাদের জন্য এই ভিডিওটি দেখতে পারেন। অনেক বিষয় ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

    দুবাইতে পড়াশুনা করতে আমাকে কি কি করা লাগবে?

    উত্তর : দুবাইতে পড়াশোনা করার জন্য আপনাকে তেমন কোনো কষ্টই করতে হবে না। আপনাকে প্রথমে সিলেক্ট করতে হবে আপনি কোন কোর্স এ আসবেন। তারপর সেইটার জন্য যা যা করতে হবে সেই গুলা করবেন। দুবাই আসার জন্য আপনাকে কোনো ব্যাংক স্টেটমেন্ট, IELTS বা অন্য কোনো ডকুমেন্টস এর দরকার হবে না। আপনি চাইলে আমার এই দুবাই পড়তে কি কি লাগে নামের ভিডিওটি দেখতে পারেন।

    দিনে দিনে যত প্রশ্ন আসবে এই পোস্টে আপডেট করা হবে। আশা করি আপনি আপনার উত্তর এই ব্লগ থেকেই পেয়ে যাবেন। সবাই ভালো থাকেন এবং বিদেশে আসার আগে সব সময় খোঁজ খবর নিয়ে আসবেন। ধন্যবাদ।